📌 ঢাকার মুগদায় ভাসমান যৌনকর্মী নারীদের পুনর্বাসনে এগিয়ে এসেছে 'গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন'। সেলাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁদের স্বাবলম্বী করে তুলছে সংস্থাটি। এ পর্যন্ত ২৪৯ জন প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন
ঢাকার মুগদায় অবস্থিত একটি জীর্ণ ভবনের নিচতলায় প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে অন্ধকার গলি আর ছোট ছোট ঘর। সেখানে খেলাধুলায় মগ্ন কয়েকটি শিশু। তাদের সামনে বসে আছেন কয়েকজন নারী, যাঁরা দুপুরের ভাত খাওয়াচ্ছেন। তাঁদেরই সন্তান এই শিশুরা। ভবনের আরেক অংশে সারি সারি সেলাই মেশিন আর প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সার্টিফিকেট। এভাবেই ভাসমান জীবনের অন্ধকার ছেড়ে আলোর পথে হাঁটছেন যৌনকর্মী নারীরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুগদার জীর্ণ ভবনে চলছে যৌনকর্মী নারীদের পুনর্বাসন প্রশিক্ষণ
- 📌 'গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন' ও 'কল্যাণময়ী নারী সংঘ'-এর উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে প্রকল্পটি
- 📌 এ পর্যন্ত ২৪৯ জন নারী প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন, বর্তমানে ২৭তম ব্যাচ চলমান
- 📌 প্রতি ব্যাচে গড়ে ২২ জন করে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, মোট প্রশিক্ষণার্থী ২৭১ জন
- 📌 প্রশিক্ষণের পাশাপাশি শিশুদের দেখভাল ও বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
মুগদার ভবনটির নিচতলায় প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে অন্ধকার গলি আর ছোট ছোট ঘর। সেখানে খেলাধুলায় মগ্ন কয়েকটি শিশু। তাদের সামনে বসে আছেন কয়েকজন নারী, যাঁরা দুপুরের ভাত খাওয়াচ্ছেন। তাঁদেরই সন্তান এই শিশুরা। ভবনের আরেক অংশে সারি সারি সেলাই মেশিন আর প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সার্টিফিকেট। এভাবেই ভাসমান জীবনের অন্ধকার ছেড়ে আলোর পথে হাঁটছেন যৌনকর্মী নারীরা।
প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি পরিচালনা করছে 'গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন' ও 'কল্যাণময়ী নারী সংঘ'। প্রকল্পটির নাম 'প্রজেক্ট লড়াই', যা 'পূর্ব-পশ্চিম' নামক পুনর্বাসন কর্মসূচির অংশ। শুরুতে মাত্র আটজন নারীকে নিয়ে শুরু হলেও এখন প্রতি ব্যাচে গড়ে ২২ জন করে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। এ পর্যন্ত ২৪৯ জন প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন।
'রিনা আপা' নামে পরিচিত রিনা আক্তার এই প্রকল্পের প্রধান ভরসা। নিজেও একসময় যৌনকর্মী ছিলেন। দালালদের হাতে বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর জীবনের কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে তিনি এখন অন্যদের পুনর্বাসনে কাজ করছেন। তাঁর নেতৃত্বে শতাধিক নারী নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছেন।
"আমি নিজেও একসময় সেই পেশায় ছিলাম। দালালদের হাত থেকে পালিয়ে এসে নিজেকে আবার গড়ে তুলেছি। এখন অন্যদেরও সেই পথ দেখাচ্ছি।" — রিনা আক্তার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুগদা, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রিনা আক্তার (সংগঠনের সভাপতি)
- 🔢 প্রশিক্ষণার্থী: ২৭১ জন (২৪৯ জন প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন)
- 🔢 প্রতি ব্যাচে প্রশিক্ষণার্থী: ২২ জন
- 🔢 শিশুদের সংখ্যা: ৩৯ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!