📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকার রাস্তা খনন: মেগা প্রকল্পে পরিণত হয়েছে সহজ নির্মাণকাজ, বর্ষা শেষ হলেও কাজ শেষ হয়নি

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
ঢাকার রাস্তা খনন: মেগা প্রকল্পে পরিণত হয়েছে সহজ নির্মাণকাজ, বর্ষা শেষ হলেও কাজ শেষ হয়নি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় রোজা থেকে বর্ষা পর্যন্ত চলা রাস্তা খনন কাজ এখনও শেষ হয়নি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা ওয়াসার কর্তৃক পরিচালিত এই প্রকল্পে নিয়মের অমান্য ও দায়িত্বহীনতা দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে নতুন নিয়মের কথা হলেও বাস্তবে তা প্রয়োগ হয়নি

ঢাকার মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় রোজার আগে শুরু হওয়া রাস্তা খনন কাজ এখনও শেষ হয়নি। বর্ষা শেষ হলেও গলিগুলোতে মানুষ এখনও ড্রেনেজ পাইপের ভেতর দিয়ে যেতে বাধ্য। একজন তরুণকে এটা বিরক্তিকর মনে হলেও বয়স্ক মানুষ, স্কুলব্যাগ কাঁধে শিশু নিয়ে মা বা কোলে বাচ্চা নিয়ে মায়ের কাছে এটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়েছিল কোনো পরিকল্পনা ছাড়া, একসঙ্গে এদিক-ওদিক। রোজা গেল, দুই ঈদ গেল, পুরো বর্ষা গেল। ১২ জুলাই ভোরে ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টিতে এলাকাটি তলিয়ে গিয়েছিল। খোঁড়া গলি আর অসমাপ্ত নালা নিয়েই এলাকাটি বর্ষা পার করেছে। আট মাস পরেও মনে হয়, এ বছরে কাজ শেষ করার ইচ্ছাই কারও নেই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শেওড়াপাড়ায় রোজা থেকে বর্ষা পর্যন্ত চলা রাস্তা খনন কাজ এখনও শেষ হয়নি, মানুষ ড্রেনেজ পাইপের ভেতর দিয়ে চলাচল করছে
  • 📌 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা ওয়াসার কর্তৃক পরিচালিত ৫২৯ কিলোমিটার সড়ক খনন প্রকল্পে নিয়মের অমান্য ও দায়িত্বহীনতা দেখা দিয়েছে
  • 📌 ২০১৭ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত পানির লাইনের জন্য একবার রাস্তা খোঁড়া হয়েছিল, কিন্তু প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাবে একই কাজ বারবার করতে হয়েছে
  • 📌 বর্তমান অর্থবছরে ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ সড়ক, ফুটপাত ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়, ১ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা
  • 📌 ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে রাস্তার সঙ্গে ড্রেনেজ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, ত্রুটি দেখা দিলে ঠিকাদারকে দায়িত্ব দেওয়া হবে

📰 বিস্তারিত

মিরপুরের শেওড়াপাড়া থেকে শুরু করে খিলগাঁও, মোহাম্মদপুর, উত্তরা এবং পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা খনন কাজের একই গল্প চলছে। খিলগাঁওয়ের সিপাহীবাগে ওয়াসার পয়োনিষ্কাশন লাইনের জন্য রমজানের আগে রাস্তা বন্ধ হয়েছিল, কিন্তু জুনেও সেখানে কাজ শেষের তারিখসহ কোনো সাইনবোর্ড ছিল না। মোহাম্মদপুরে একজন প্রতিমন্ত্রী নতুন রাস্তায় ফাটল আর ধস দেখেছেন। দক্ষিণ সিটির প্রশাসক ১ অক্টোবর নিজের অফিসের প্রবেশপথে ওয়াসার দীর্ঘদিনের খোঁড়াখুঁড়ি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ঢাকা ওয়াসার ৫ হাজার ১৮৭ কোটি টাকার স্যানিটেশন প্রকল্পে দুই সিটিতে মোট ৫২৯ কিলোমিটার সড়ক কাটা হবে। এই প্রকল্পে প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাবে অতীতে একই সড়ক বারবার খুঁড়তে হয়েছে। বর্তমান অর্থবছরে ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেটে সবচেয়ে বড় বরাদ্দ সড়ক, ফুটপাত ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়, ১ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা।

২০১৯ সালের ‘ঢাকা মহানগরীর সড়ক খনন নীতিমালা’ অনুসারে, পুরো সড়ক একসঙ্গে খোঁড়া যাবে না, কাজ হবে ১৫ দিনের ছোট ছোট ভাগে, খননের মাটি সরাতে হবে ২৪ ঘণ্টায়, আর জুন থেকে অক্টোবর জরুরি কাজ ছাড়া খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ থাকবে। ২০২৫ সালের মার্চে ডিএমপি বলেছিল, খোঁড়া যাবে শুধু রাতে, কোনো রাস্তা সর্বোচ্চ সাত রাত, পরের তিন রাতের মধ্যে মেরামত করতে হবে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী বছর থেকে বর্ষায় খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ করা হবে, অর্থবছরই বদলে এপ্রিল থেকে মার্চ করা হচ্ছে।

“প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাবে অতীতে একই সড়ক বারবার খুঁড়তে হয়েছে। টাকার অভাব নয়, নিয়মেরও অভাব নয়”

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিনা অনুমতিতে খননের দায়ে দক্ষিণ সিটি ওয়াসাকে খনন ফির পাঁচ গুণ, ভ্যাটসহ ১৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। কিন্তু বাকি সময় নিয়ম ঘুমায় কেন? কাজটা আদৌ দরকার ছিল কি না? মাত্র দুই বছর আগে গলিগুলোতে ড্রেনেজ পাইপ বসানো হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এসব রাস্তা অন্তত দুবার মেরামত হয়েছে। তখনো ভোগান্তি ছিল, কিন্তু কাউকে পাইপের ভেতর দিয়ে হাঁটতে হয়নি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মিরপুর, শেওড়াপাড়া, খিলগাঁও, মোহাম্মদপুর, উত্তরা, পুরান ঢাকা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিমন্ত্রী, দক্ষিণ সিটির প্রশাসক, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৬ মিলিমিটার (বৃষ্টিপাত), ১২ জুলাই (তারিখ), ৫২৯ কিলোমিটার (সড়ক), ৫ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা (প্রকল্প বাজেট), ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা (ডিএনসিসি বাজেট), ১৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা (জরিমানা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖