📅 ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকার মরণফাঁদে পরিণত করছে রাজউক ও সেবা সংস্থার যৌথ দুর্নীতি: ‘ঘুষের বিনিময়ে অবৈধ ভবন নির্মাণে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা কেনো আসামি না?’

ঢাকার মরণফাঁদে পরিণত করছে রাজউক ও সেবা সংস্থার যৌথ দুর্নীতি: ‘ঘুষের বিনিময়ে অবৈধ ভবন নির্মাণে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা কেনো আসামি না?’

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও সেবা সংস্থার কর্মকর্তাদের যৌথ দুর্নীতি ঢাকাকে বসবাসের অযোগ্য মরণফাঁদে পরিণত করছে। নকশা লঙ্ঘন করে ৫ তলার জায়গায় ৮ তলা ভবন নির্মাণ, জলাশয় দখল এবং বিদ্যুৎ-গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে নগরবাসীদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছে এই দুর্নীতির চক্র

ঢাকার বসবাস অযোগ্য মরণফাঁদে পরিণত করছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও সেবা সংস্থার কর্মকর্তাদের যৌথ দুর্নীতির চক্র। অনুসন্ধান প্রকাশ করেছে যে, রাজউকের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও ইউটিলিটি সেবা সংস্থাগুলোর অসাধু চক্রের মাধ্যমে নকশা লঙ্ঘন করে ৫ তলার জায়গায় ৮ তলা ভবন নির্মাণ, জলাশয় ও খেলার মাঠ দখল এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ ঘটছে। এই দুর্নীতির কারণে ঢাকার তাপমাত্রা গ্রামীণ এলাকার তুলনায় ৪ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হয়েছে এবং শহরের সবুজ এলাকা মাত্র ৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজউকের কর্মকর্তারা ও সেবা সংস্থার অসাধু চক্রের মাধ্যমে ঢাকার ২৫ শতাংশের বেশি সবুজ এলাকা ও ১০-১৫ শতাংশ জলাশয় হারিয়ে গেছে
  • 📌 উত্তরা এলাকার ভুক্তভোগী ভবন মালিক রিয়াদ হোসেনের কথায়, রাজউকের পরিদর্শকরা নকশা অনুমোদনের পর থেকে ছাদ ঢালাই পর্যন্ত টাকা দাবি করে, টাকা না দিলে কাজ বন্ধের হুমকি দেন
  • 📌 ৫ তলার অনুমোদিত জায়গায় ৮ তলা ভবন নির্মাণের পরও রাজউকের কর্মকর্তারা ‘নকশা লঙ্ঘনের’ নোটিশ দিয়ে অর্থলব্ধ করে নেন
  • 📌 ফায়ার সার্ভিসের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আলী আহম্মেদ খান বলেছেন, ‘রাজউক ও বিদ্যুৎ-গ্যাসের সরকারি কর্মকর্তারা ইমারত বিধিমালা লঙ্ঘন করে মরণফাঁদ তৈরি করলেও তারা আসামি হচ্ছেন না’
  • 📌 বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভাপতি ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলামের মতে, রাজউক ও সেবা সংস্থাগুলোর জবাবদিহিতাহীন দুর্নীতি ঢাকাকে জলাবদ্ধতা, অগ্নিকাণ্ড এবং কৃত্রিম তাপপ্রবাহের শিকার করেছে

📰 বিস্তারিত

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কর্মকর্তারা ও সেবা সংস্থাগুলোর অসাধু চক্রের মাধ্যমে ঢাকার নগরায়ণ ব্যবস্থায় ব্যাপক দুর্নীতি চলছে। অনুসন্ধান প্রকাশ করেছে যে, রাজউকের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা নকশা অনুমোদনের পর থেকে ছাদ ঢালাই পর্যন্ত টাকা দাবি করে, টাকা না দিলে কাজ বন্ধের হুমকি দেন। উত্তরা এলাকার ভুক্তভোগী ভবন মালিক রিয়াদ হোসেনের কথায়, “নকশা অনুমোদনের পর থেকে ছাদ ঢালাই পর্যন্ত রাজউকের পরিদর্শকেরা বারবার এসে টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। আর টাকা দিলে ৫ তলার জায়গায় ৮ তলা তুললেও তারা আর ভবনে আসেন না।”

রাজউকের কর্মকর্তারা নকশা লঙ্ঘন করে ৫ তলার জায়গায় ৮ তলা ভবন নির্মাণের পরও ‘নকশা লঙ্ঘনের’ নোটিশ দিয়ে অর্থলব্ধ করে নেন। এই নোটিশই মূলত বাণিজ্যের প্রধান মাধ্যম। আর্থিক লেনদেনের দফারফা বা মাসোহা চুক্তি হলেই অবৈধ ভবন পরিদর্শকদের ফাইলে ‘বৈধ’ বা ‘উপেক্ষণীয়’ হয়ে যায়। এমনকি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে নকশা জালিয়াতি করে খেলার মাঠ বা পার্কের জায়গার ওপরেও বহুতল ভবনের লে-আউট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আলী আহম্মেদ খান এই বিচারহীন সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমরা শুধু ভবন মালিকদের ধরে জেলে পুরছি, কিন্তু যে রাজউক ও বিদ্যুৎ-গ্যাসের সরকারি পরিদর্শকদের চোখের সামনে ইমারত বিধিমালা অমান্য করে এই মরণফাঁদগুলো তৈরি হলো, তারা কেন আসামি হবেন না? এই সরকারি কর্মকর্তাদের ফৌজদারি অপরাধের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি না দিলে ঢাকা কখনোই নিরাপদ হবে না।”

সেবা সংস্থাগুলোর মাঠপর্যায়ের অসাধু কর্মকর্তারা মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে অবৈধ ভবনগুলোতে বাণিজ্যিক সংযোগ বা ভুয়া মিটার দিয়ে দিচ্ছেন। আইন অনুযায়ী রাজউকের ব্যবহার সনদপত্র বা ছাড়পত্র জমা দেওয়া ছাড়া যেকোনো ভবনে স্থায়ী পানি, গ্যাস বা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু বাস্তব চিত্র পুরো উল্টো। রাজউক কোনো ভবনকে ‘অবৈধ’ ঘোষণার পরও সেবা সংস্থাগুলো সংযোগ সচল রাখে। এই সমন্বিত অপরাধের কারণে ঢাকার তাপমাত্রা গ্রামীণ এলাকার তুলনায় ৪ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হয়েছে এবং শহরের সবুজ এলাকা মাত্র ৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

"ঢাকা আজ যে চরম জলাবদ্ধতা, অগ্নিকাণ্ড এবং কৃত্রিম তাপপ্রবাহের শিকার, তার প্রধান কারণ রাজউক এবং সেবা সংস্থাগুলোর জবাবদিহিতাহীন দুর্নীতি। রাজউক কোনো ভবনকে অবৈধ ঘোষণার পরও অন্যান্য সেবা সংস্থা কীভাবে সেখানে সংযোগ সচল রাখে?"

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সভাপতি পরিকল্পনাবিদ ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলামের মতে, এই দুর্নীতির কারণে ঢাকার বসবাস অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তিনি বলেছেন, “ঢাকা আজ যে চরম জলাবদ্ধতা, অগ্নিকাণ্ড এবং কৃত্রিম তাপপ্রবাহের শিকার, তার প্রধান কারণ রাজউক এবং সেবা সংস্থাগুলোর জবাবদিহিতাহীন দুর্নীতি। রাজউক কোনো ভবনকে অবৈধ ঘোষণার পরও অন্যান্য সেবা সংস্থা কীভাবে সেখানে সংযোগ সচল রাখে? এই সমন্বিত অপরাধের কারণেই আজ কোটি ঢাকাবাসী কাঠামোগত মৃত্যুর ঝুঁকিতে দিন কাটাচ্ছে।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (উত্তরা এলাকা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিয়াদ হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আলী আহম্মেদ খান, ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ তলা → ৮ তলা, ৪-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ২৫ শতাংশ (সবুজ এলাকা), ১০-১৫ শতাংশ (জলাশয়), ৫ শতাংশ (বর্তমান সবুজ এলাকা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖