📌 ঢাকা মহানগর অঞ্চলে মনোরেল চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) ছয় মাসের মধ্যে সমীক্ষা শেষ করে দুটি করিডোর বাছাই করবে। বুয়েটের বিআরটিসির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে
ঢাকা মহানগর অঞ্চলে মনোরেল চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়। আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিটিসিএ ভবনে মনোরেল প্রকল্পের জন্য পরামর্শক সেবার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, ঢাকা পরিবহন ব্যবস্থার সম্প্রসারণে মনোরেলের ভূমিকা যাচাই করা হবে এবং সম্ভাব্য দুটি করিডোর নির্বাচনের জন্য কারিগরি ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা মহানগর অঞ্চলে মনোরেল চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ছয় মাসের মধ্যে সমীক্ষা শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 ডিটিসিএর সঙ্গে বুয়েটের বিআরটিসি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সমীক্ষার ব্যয় সাড়ে সাত কোটি টাকা
- 📌 সমীক্ষায় ১৪টি সম্ভাব্য মনোরেল রুট বিশ্লেষণ করা হবে, এর মধ্যে দুটি করিডোর অগ্রাধিকার পাবে
- 📌 মনোরেলের নির্মাণ ব্যয়, যাত্রী ধারণক্ষমতা ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করা হবে
- 📌 সমীক্ষার ফলাফল ভিত্তিতে ঢাকার গণপরিবহন পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
ঢাকা মহানগর অঞ্চলে জনসংখ্যা ও যাতায়াতের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অবস্থায় সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভারী মেট্রোরেল নির্মাণে সীমাবদ্ধতা থাকায় মনোরেল সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মনোরেল সাধারণত উড়ালপথে পরিচালিত হয়, ফলে সীমিত ভূমি ব্যবহার করে গণপরিবহন সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
ডিটিসিএর অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক ড. মো. মশিউর রহমান এবং বুয়েটের বিআরটিসির পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ ইশতিয়াক আহমদ চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক (সচিব) মোহাম্মদ মসিউর রহমান। সমীক্ষায় ১৪টি রুটের বিশ্লেষণ করা হবে, যার মধ্যে দুটি করিডোর অগ্রাধিকার পাবে। সমীক্ষায় স্টেশন ও ডিপোর স্থান নির্বাচন, যাত্রী চাহিদা প্রাক্কলন এবং পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন করা হবে।
ডিটিসিএর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মনোরেলের নির্মাণ ও পরিচালন ব্যয়, যাত্রী ধারণক্ষমতা এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা সমীক্ষায় যাচাই করা হবে। সমীক্ষার ফলাফল ভিত্তিতে ঢাকার গণপরিবহন পরিকল্পনা, সম্ভাব্য মনোরেল করিডোর নির্বাচন এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
"মনোরেল সাধারণত উড়ালপথে পরিচালিত হয়। ফলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সড়ক অবকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করে সীমিত ভূমি ব্যবহার করে গণপরিবহন সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর অঞ্চল, ডিটিসিএ ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মো. মশিউর রহমান, অধ্যাপক ড. সৈয়দ ইশতিয়াক আহমদ, মোহাম্মদ মসিউর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর, ১৪টি রুট, সাড়ে সাত কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!