📌 ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জনসন রোডের একটি সরকারি ভবনের ছাদে ‘আকাশনীড়’ নামে পাখির জন্য একটি অভয়ারণ্য তৈরি করা হয়েছে। ১১ হাজার বর্গফুটের এই ছাদে ৫৮ প্রজাতির ৪১৮টি গাছ লাগানো হয়েছে, যার মধ্যে ৩২৯টি ফুলের গাছ। উদ্যোগে ১০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে এবং এতে গ্রিন সেভার্সের সহায়তা রয়েছে
পুরান ঢাকার জনসন রোডে অবস্থিত ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছাদে একটি বিপ্লবী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ১১ হাজার বর্গফুটের ছাদকে রূপান্তরিত করা হয়েছে ‘আকাশনীড়’ নামে একটি পাখির অভয়ারণ্যে। এখানে ফল-ফুলের গাছ, পাখিদের জন্য জলাধার এবং নানা ধরনের সবুজ আয়োজন করা হয়েছে, যাতে শহুরে এলাকায় বাস করা পাখিরা নিরাপদে আসতে পারে এবং তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে সংযোগ বজায় রাখতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছাদে ‘আকাশনীড়’ নামে পাখির অভয়ারণ্য তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ৫৮ প্রজাতির ৪১৮টি গাছ লাগানো হয়েছে, যার মধ্যে ৩২৯টি ফুলের গাছ এবং ৪১টি ফলের গাছ।
- 📌 এই উদ্যোগে প্রায় ১০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে এবং গ্রিন সেভার্সের সহায়তায় প্রকল্পটি সম্পন্ন করা হয়েছে।
- 📌 ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেছেন, তিনি ছোটবেলায় গ্রামে বড় হয়ে পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনতেন এবং শহুরে এলাকায় সেই শব্দ হারিয়ে যেতে দেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- 📌 ২২ এপ্রিল থেকে দায়িত্বে থাকা ফরিদা খানম ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর সময় দেখেন পাখিরা আকাশে ওড়াচ্ছে, তখনই এই প্রকল্পের ধারণা মাথায় আসে।
- 📌 উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা উপস্থিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
পুরান ঢাকার জনসন রোডে অবস্থিত ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছাদে ‘আকাশনীড়’ নামে একটি পাখির অভয়ারণ্য তৈরি করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো শহুরে এলাকায় পাখিদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল তৈরি করা। ১১ হাজার বর্গফুটের এই ছাদে ৫৮ প্রজাতির মোট ৪১৮টি গাছ লাগানো হয়েছে, যার মধ্যে ৩২৯টি ফুলের গাছ এবং ৪১টি ফলের গাছ রয়েছে। এছাড়াও, পাখিদের জন্য জলাধার এবং গা-ভেজানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেছেন, তিনি ছোটবেলায় গ্রামে বড় হয়ে পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনতেন। শহুরে এলাকায় সেই শব্দ হারিয়ে যেতে দেখে তিনি এই উদ্যোগ নেন। তিনি বলেন, “আমি ছোটবেলায় গ্রামে বড় হয়েছি। পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনেছি। শহুরে ইটপাথরের নগরীতে সেই কিচিরমিচির হারিয়ে যেতে বসেছে। সেই কিচিরমিচির ডাক নগরে ফিরিয়ে আনার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
২২ এপ্রিল থেকে দায়িত্বে থাকা ফরিদা খানম ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর সময় দেখেন পাখিরা আকাশে ওড়াচ্ছে। তখনই তিনি এই প্রকল্পের ধারণা মাথায় আসে। তিনি গ্রিন সেভার্সের সহায়তায় এই প্রকল্পটি সম্পন্ন করেন। এই উদ্যোগে প্রায় ১০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা উপস্থিত ছিলেন এবং ১৬ সেপ্টেম্বর এই উদ্যোগ উদ্বোধন করেন।
ছাদবাগানে বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগানো হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ফল-ফুলের গাছ, ওষধি গাছ এবং বিভিন্ন ধরনের ফুল। এছাড়াও, জলজ ফুলের মধ্যে শাপলা ও পদ্ম রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নগরবাসীরা দেখতে পাচ্ছেন যে, ছাদবাগানকে পাখির অভয়ারণ্যে রূপান্তরিত করা সম্ভব। পাখিরা এখানে আসতে পারে, খেতে পারে, গোসল করতে পারে এবং চাইলে ছাদে বাসাও বানাতে পারে।
"ছোটবেলায় গ্রামে বড় হয়েছি। পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনেছি। শহুরে ইটপাথরের নগরীতে সেই কিচিরমিচির হারিয়ে যেতে বসেছে। সেই কিচিরমিচির ডাক নগরে ফিরিয়ে আনার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জনসন রোড, পুরান ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফরিদা খানম (ঢাকা জেলা প্রশাসক), মো. মনিরুজ্জামান মিঞা (ঢাকা বিভাগের কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ হাজার বর্গফুট (ছাদের আয়তন), ৫৮ প্রজাতির ৪১৮টি গাছ, ৩২৯টি ফুলের গাছ, ৪১টি ফলের গাছ, ১০ লাখ টাকা (খরচ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!