📌 সরকার রাজধানীর প্রধান সড়কে ই-রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অভ্যন্তরীণ সড়কে চার যাত্রীবাহী ই-রিকশাকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। নীতিমালায় বুয়েটের প্রত্যয়ন ও ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে
ঢাকা: রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত ও ইলেকট্রিক অটোরিকশার চলাচল পুরোপুরি নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে সরকার। তবে অভ্যন্তরীণ সড়কে সর্বোচ্চ চার যাত্রী বহনকারী ই-রিকশাকে নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হবে। ছয় যাত্রী বহনকারী কোনো ই-রিকশা রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের নিবন্ধনের আওতায় আসবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজধানীর প্রধান সড়কে ই-রিকশা চলাচল পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হবে
- 📌 অভ্যন্তরীণ সড়কে চার যাত্রীবাহী ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে
- 📌 ছয় যাত্রীবাহী ই-রিকশা রাজধানীতে নিবন্ধনের যোগ্য নয়
- 📌 ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে
- 📌 বুয়েটসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়ন ও ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ বাধ্যতামূলক
- 📌 ঢাকাকে ৮টি জোনে বিভক্ত করে ই-রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে
- 📌 ই-রিকশা চার্জিং পয়েন্টগুলোতে সৌরবিদ্যুত ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘নীতিমালা আমাদের একদম শেষ পর্যায়ে। এটা আমরা একটু ভেটিং করব এখন। আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে। ভেটিং হয়ে আসার পরেই আমরা এক সপ্তাহের মধ্যেই বা পরের সপ্তাহেই যত দ্রুত সম্ভব আমরা এটা দিয়ে দিব।’
নীতিমালায় ই-রিকশার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় এবং জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল শাখার প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক করার কথা উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে না।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বুয়েট ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় এবং জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের যে অটোমোবাইল শাখা আছে, তাদের প্রত্যয়ন ছাড়া এবং ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস ছাড়া আমরা রেজিস্ট্রেশন না দেওয়ার ব্যাপারে এই নীতিমালাতে বলা থাকবে। সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভাই রেজিস্ট্রেশনগুলো দিবে।’
ই-রিকশার চার্জিং পয়েন্ট নিয়েও নীতিমালায় শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে ই-রিকশা চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এবং একপর্যায়ে এটি বাধ্যতামূলক করা হবে। মীর শাহে আলম বলেন, ‘এরা রিচার্জ করবে যে পয়েন্টগুলোতে, এই গ্যারেজগুলোতে বা পয়েন্টগুলোতে, সেখানে যাতে অবশ্যই তারা সৌর বিদ্যুতে এটা করে। চেষ্টা করবো পর্যায়ক্রমে, যাতে তারা সৌর বিদ্যুতে যেন রিচার্জ করতে পারে। এটা পর্যায়ক্রমে বাধ্য করা হবে।’
ঢাকাকে উত্তর ও দক্ষিণ মিলিয়ে মোট আটটি জোনে বিভক্ত করে ই-রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, ‘ঢাকাতে যেটা আমরা প্ল্যান করেছি, এটা ট্রাফিক বিভাগের অবশ্য প্রস্তাব, সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছি যে তাদের প্রস্তাবটা একেবারে অমূলক না, সেটা হচ্ছে যে আমরা উত্তরে ৪টি এবং দক্ষিণে ৪টি মোট ৮টি জোন করব।’
কোন ই-রিকশা কোন রুটে চলবে, তা সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি ই-রিকশায় জিও-ফেন্সিং ব্যবস্থাও থাকবে। মীর শাহে আলম বলেন, ‘তারা কোন রুটে চলাফেরা করবে, এটা সিটি করপোরেশন এবং ট্রাফিক বিভাগ বসে ঠিক করে দিবে।’
‘মেইন রোডে ই-রিকশা আমরা চলতে দেব না। আমরা ৮টি জোন করে তাদেরকে অভ্যন্তরীণ রোডগুলোতে যাতে তারা চলাফেরা করতে পারে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর শাহে আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮টি জোন, ৩০ আগস্ট, ৪ যাত্রী, ৬ যাত্রী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!