📌 ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে চারটি করে আটটি জোনে ভাগ করে ব্যাটারি রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে জিপিএস ও জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। সরকার প্রস্তাব করেছে প্রতি জোনে নির্দিষ্ট সংখ্যক রিকশার চলাচল এবং চালকদের জন্য নতুন লাইসেন্স পদ্ধতি চালু করা
ঢাকার ব্যাটারি রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে সরকার নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে চারটি করে মোট আটটি জোনে ভাগ করে প্রতিটি জোনে নির্দিষ্ট সংখ্যক রিকশার চলাচল নিশ্চিত করা হবে। জিপিএস ও জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনিয়ন্ত্রিত চলাচল বন্ধ এবং চালকদের জন্য নতুন লাইসেন্স পদ্ধতি চালু করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে চারটি করে মোট আটটি জোনে ভাগ করে রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে
- 📌 প্রতিটি জোনে নির্দিষ্ট সংখ্যক রিকশার চলাচল নিশ্চিত করা হবে; অন্য জোনে প্রবেশ নিষিদ্ধ
- 📌 ঢাকায় বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ এবং ঢাকার বাইরে প্রায় ৪০ লাখ ব্যাটারি রিকশা চলাচল করছে
- 📌 নতুন রিকশা নিবন্ধনের জন্য বুয়েটের অনুমোদন প্রয়োজন; পুরোনো রিকশা বদলে নতুন রিকশা দেওয়ার এক্সচেঞ্জ কর্মসূচি চালু করা হবে
- 📌 নতুন রিকশার দাম ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা; পুরোনো রিকশা বদলে নতুন কিনতে ১ লাখ থেকে ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যয় হতে পারে
- 📌 প্রতিটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে
- 📌 রিকশা চালানোর জন্য ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী নাগরিকদের লাইসেন্স নিতে হবে
- 📌 চার লাখ রিকশার জন্য ১ হাজার থেকে ছয় হাজার ব্যাটারি সোয়াপিং স্টেশন স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার বিভাগের ‘ই-মোবিলিটি ও ব্যাটারি সোয়াপিং সিস্টেম রোল-আউট পরিকল্পনা (ঢাকা শহর)’ শীর্ষক নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার ফিডার সড়কে মোট আট লাখ ব্যাটারি রিকশার চলাচল অনুমোদন দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২ হাজার ২৫০ কিলোমিটার এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১ হাজার ১৭০ কিলোমিটার ফিডার সড়কে চার লাখ করে মোট আট লাখ রিকশা চলাচলের অনুমোদন দেওয়া হবে। এসব রিকশা প্রধান সড়কে চলতে পারবে না।
গত ১৩ ও ৩০ আগস্ট স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় রিকশার নিবন্ধন, রুট, চালকের লাইসেন্স, উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ ও চার্জিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণে রাজধানীতে যানজট ও দুর্ঘটনা বাড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি রিকশার গায়ে আলাদা রং ও জোনভিত্তিক কোড থাকবে। জিপিএস ও জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্ধারিত এলাকার বাইরে রিকশার চলাচল শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এছাড়াও, সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
ব্যাটারি সোয়াপিং ব্যবস্থায় ব্যবহৃত ব্যাটারির পরিবর্তে চার্জ করা ব্যাটারি এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যে বদলে নেওয়া যাবে। চার লাখ রিকশার জন্য স্টেশনের সক্ষমতা বিবেচনায় এক হাজার থেকে ছয় হাজার ব্যাটারি সোয়াপিং স্টেশন প্রয়োজন হবে। প্রতিটি স্টেশন স্থাপনে প্রাথমিক বিনিয়োগ ধরা হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা। অর্থায়নে গ্রিন ফান্ড থেকে ৭০ শতাংশ, সরকারি প্রণোদনা ২০ শতাংশ এবং উদ্যোক্তার নিজস্ব বিনিয়োগ ১০ শতাংশ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
"স্থানীয় সরকার বিভাগের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকায় বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ ব্যাটারি রিকশা চলাচল করছে। এসব রিকশার কোনো নিবন্ধন নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ লাখ (ঢাকায় রিকশা), ৪০ লাখ (ঢাকার বাইরে রিকশা), ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা (স্টেশন স্থাপনের খরচ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!