📌 লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত নয়টি লজ্জাবতী বানরের মধ্যে সাতটির মৃত্যু হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, একই প্রজাতির অন্য বানরের আক্রমণেই অধিকাংশ মৃত্যু ঘটেছে। প্রাণী অবমুক্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রটোকল অনুসরণ না করার কারণে এমন ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত নয়টি লজ্জাবতী বানরের মধ্যে সাতটির মৃত্যু হয়েছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকদের দাবি, একই প্রজাতির অন্য বানরের আক্রমণেই অধিকাংশ মৃত্যু ঘটেছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী *গ্লোবাল ইকোলজি অ্যান্ড কনজারভেশন*-এ প্রকাশিত এ গবেষণায় প্রাণী অবমুক্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রটোকল অনুসরণ না করার বিষয়টি সামনে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত নয়টি লজ্জাবতী বানরের মধ্যে সাতটির মৃত্যু হয়েছে।
- 📌 মৃত সাতটির মধ্যে চারটির দেহে একই প্রজাতির অন্য বানরের আক্রমণের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
- 📌 গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশের গবেষক হাসান আল-রাজি।
- 📌 গবেষণায় অংশ নিয়েছেন দেশি-বিদেশি মোট ১১ জন গবেষক।
- 📌 অবমুক্ত নয়টি বানরের মধ্যে মাত্র দুটি ছয় মাসের বেশি সময় টিকে ছিল।
📰 বিস্তারিত
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত নয়টি লজ্জাবতী বানরের মধ্যে সাতটির মৃত্যু হয়েছে বলে এক সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকদের মতে, একই প্রজাতির অন্য বানরের আক্রমণের কারণেই অধিকাংশ মৃত্যু ঘটেছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী *গ্লোবাল ইকোলজি অ্যান্ড কনজারভেশন*-এ প্রকাশিত এ গবেষণায় প্রাণী অবমুক্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রটোকল অনুসরণ না করার বিষয়টি সামনে এসেছে।
গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশের গবেষক হাসান আল-রাজি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দেশি-বিদেশি আরও ১০ গবেষক। গবেষণায় বাংলাদেশ, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান যুক্ত ছিল। গবেষণায় উদ্ধার করা নয়টি বানরকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়েছিল।
তিনটি বানর অবমুক্তির দশ দিনের মধ্যেই মারা যায়। আরও চারটি এক মাসের বেশি সময় টিকলেও শেষ পর্যন্ত মারা যায়। মাত্র দুটি বানর ছয় মাসের বেশি সময় টিকে ছিল। মৃত সাতটির মধ্যে চারটির দেহে একই প্রজাতির অন্য বানরের আক্রমণের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বাকি তিনটির মৃত্যুর কারণ নির্ণয় করা যায়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ফিরোজ জামান বলেন, ‘প্রাণী অবমুক্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রটোকল অনুসরণ করা উচিত। কিন্তু আমাদের দেশে তা মানা হয় না।’ তিনি আরও বলেন, লজ্জাবতী বানর অত্যন্ত এলাকা-সচেতন প্রাণী। নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে না পারলে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
"বন্য প্রাণী উদ্ধার অনেক ক্ষেত্রে লোকদেখানো বিষয়ে পরিণত হয়েছে। যে যার মতো প্রাণী অবমুক্ত করে। আমরা চেয়েছি এ পরিস্থিতির পরিবর্তন হোক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসান আল-রাজি (গবেষক), মোহাম্মদ ফিরোজ জামান (অধ্যাপক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ (অবমুক্ত বানর), ৭ (মৃত বানর), ১১ (গবেষক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!