📌 দৌলতদিয়া উপজেলার পদ্মা-যমুনা নদীতে চলাচলকারী বাল্কহেড থেকে দৈনিক ১০ লাখ টাকা অবৈধভাবে 'চ্যানেল চার্জ' নামে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা দাবি করেন, ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা করে জোরপূর্বক টাকা নেওয়া হয় এবং বৈধ রশিদ ছাড়াই। স্থানীয়রা আইনগত ব্যবস্থা চাইছে
দৌলতদিয়া উপজেলার পদ্মা ও যমুনা নদীতে চলাচলকারী বাল্কহেড থেকে দৈনিক ১০ লাখ টাকা অবৈধভাবে 'চ্যানেল চার্জ' নামে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নৌযানচালক ও শ্রমিকদের দাবি, প্রতিটি বাল্কহেড থেকে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা করে জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হচ্ছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দৌলতদিয়া উপজেলায় পদ্মা-যমুনা নদীতে বাল্কহেড থেকে দৈনিক ১০ লাখ টাকা অবৈধভাবে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে
- 📌 প্রতিটি বাল্কহেড থেকে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা করে জোরপূর্বক 'চ্যানেল চার্জ' আদায় করা হচ্ছে, আগে ছিল ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা
- 📌 রশিদে বিআইডব্লিউটিএর অনুমোদন থাকলেও আদায়কারীর স্বাক্ষর বা ইজারাদারের স্বাক্ষর নেই
- 📌 টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভয়ভীতি, মারধর ও জোরপূর্বক টাকা নেওয়ার ঘটনা ঘটছে
- 📌 স্থানীয় শ্রমিক ইউনিয়ন নেতারা দাবি করেছেন, জলদস্যুরা জড়িত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
- 📌 নদী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বলেছেন, তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
দৌলতদিয়া উপজেলার গোয়ালন্দ এলাকায় পদ্মা ও যমুনা নদীতে চলাচলকারী ১৫০ থেকে ২০০টি বাল্কহেড থেকে দৈনিক ১০ লাখ টাকা অবৈধভাবে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী বাল্কহেডচালক ও শ্রমিকদের দাবি, স্পিডবোটের মাধ্যমে টাকা আদায় করা হয় এবং আদায়কারীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। তারা বলেন, আগে প্রতি বাল্কহেড থেকে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা চ্যানেল চার্জ দেওয়া হতো, কিন্তু বর্তমানে একই পরিমাণ ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা করে দিতে হচ্ছে।
বাল্কহেডের সুকানি বিল্লাল, মুস্তাকিন, কামাল ও জলিল জানান, টাকা দিতে না চাইলে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং কখনো মারধরও করা হয়। তারা দাবি করেন, বিআইডব্লিউটিএর লোকজন টাকা নিচ্ছেন বলে মনে হলেও তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয়রা বলেন, অনেক ক্ষেত্রে জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হয়, যা নদীপথে পণ্য পরিবহনের ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করছে।
বাংলাদেশ কার্গো ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. লাল চাঁদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদ শেখ অভিযোগ করেন, যমুনা নদীতে বাল্কহেড ও শ্রমিকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হচ্ছে। তারা দাবি করেছেন, এসব কর্মকাণ্ডে জলদস্যুরা জড়িত এবং নদীপথে চলাচলকারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
"আগে প্রতি বাল্কহেড থেকে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা দিতে হতো। এখন প্রতিটি বাল্কহেড থেকে ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। টাকা দিতে না চাইলে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখানো হয়। কখনো মারতে আসার ঘটনাও ঘটে।" — বাল্কহেডচালক ও শ্রমিকরা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দৌলতদিয়া উপজেলা, পদ্মা ও যমুনা নদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাল্কহেডচালক সুকানি বিল্লাল, মুস্তাকিন, কামাল, জলিল, মো. লাল চাঁদ মিয়া, ফরিদ শেখ, নদী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দৈনিক ১০ লাখ টাকা, ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা, ১৫০ থেকে ২০০টি বাল্কহেড, আগে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!