📌 সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে স্থানীয় কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি তরুণদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বাড়ানোর ও নারীদের সাংস্কৃতিক ভূমিকা বৃদ্ধির দাবি করেছেন
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিচয় কেবল দৃশ্যমান নিদর্শন বা স্থাপনায় সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের জীবনধারা, লোকাচার, উৎসব, সংগীত, নৃত্য, কারুশিল্প ও লোকজ জ্ঞানেও জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় নিহিত রয়েছে। তিনি বলেন, বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে স্থানীয় কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
- 📌 তিনি বলেন, ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক শক্তি’
- 📌 সরকার তরুণদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করছে
- 📌 নারীদের সাংস্কৃতিক ভূমিকা বৃদ্ধি ও তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মন্ত্রী
- 📌 সেমিনারে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব সভাপতিত্ব করেন
📰 বিস্তারিত
সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী আজ শনিবার ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল সেমিনার অন কমিউনিটি বেজড সেফগার্ডিং অ্যান্ড নলেজ এক্সচেঞ্জ ফর কালচারাল হেরিটেজ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের দীর্ঘ ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় সমাজের সব শ্রেণি-পেশা ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
মন্ত্রী বলেন, ‘পাহাড় ও সমতল, বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের জীবনধারা, আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসবের মধ্যে বৈচিত্র্য থাকলেও জাতীয় পরিচয় ও দেশপ্রেমের প্রশ্নে আমরা অভিন্ন’। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের লোকজ উৎসব, নৌকা বাইচ, লোকসংগীত ও লোকনৃত্য মানুষের মধ্যে আনন্দ, সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন তৈরি করে।
তরুণ প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সরকার কাজ করছে। সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা, লোকজ উৎসব ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি পাবে এবং মাদক ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে তাদের দূরে রাখা সম্ভব হবে।
নারীর মর্যাদা ও অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সমাজ ও সংস্কৃতির বিকাশে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। নারীর প্রতি সম্মান, নিরাপত্তা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারীশক্তিকে আরও সক্রিয় ও বিকশিত করতে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রজন্মান্তরে তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও নারীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম এবং ইউনেসকোর প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে জাতীয় জাদুঘর ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
"বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক শক্তি। পাহাড় ও সমতল, বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের জীবনধারা, আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসবের মধ্যে বৈচিত্র্য থাকলেও জাতীয় পরিচয় ও দেশপ্রেমের প্রশ্নে আমরা অভিন্ন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার শাহবাগ, জাতীয় জাদুঘর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (সেমিনার সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!