📌 কুমিল্লার দেবিদ্বারে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. খোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাল্টা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষকের ছেলেসহ ১০ জন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে
কুমিল্লার দেবিদ্বারের ব্রাহ্মণখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. খোরশেদ আলমকে (৫০) যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ২০ আগস্ট সন্ধ্যায় বটতলা বাজার থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগী তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর দাদা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। আদালতে শিশুর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লার দেবিদ্বারে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার
- 📌 গত ২৬ জুলাই বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে অশোভন আচরণের অভিযোগ ওঠে শিক্ষকের বিরুদ্ধে
- 📌 ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় শিক্ষকদের মারধর ও পাল্টা মামলা দায়ের করেন শিক্ষকের ছেলে
- 📌 পাল্টা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষকের ছেলেসহ ১০ জন জামিনে মুক্তি পান
- 📌 ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি
📰 বিস্তারিত
গত ২৬ জুলাই দুপুরে ব্রাহ্মণখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগ ওঠে প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ছাত্রী বিষয়টি তার মাকে জানালে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। একই দিন বিকেলে স্থানীয় কয়েকজন শিক্ষককে বিদ্যালয় থেকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সন্ধ্যার দিকে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষককে মারধর করে হাত বেঁধে একটি চায়ের দোকানে আটকে রাখা হয়।
এ সময় ওই শিক্ষার্থীর স্বজনরা অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন। রাত ১১টার দিকে দেবিদ্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অপর দিকে শিক্ষককে মারধর ও টাকা লুটের অভিযোগে তাঁর ছেলে আরিফ বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
শিক্ষককে মারধরের প্রতিবাদে উপজেলা শিক্ষক সমিতির নেতাদের উপস্থিতিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও উপজেলা শিক্ষা অফিস প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঘটনার দিন ধারণ করা কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে অভিযুক্ত শিক্ষককে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের আচরণ না করার কথা বলতে শোনা যায়।
"নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শিক্ষার্থীর দাদার দায়ের করা মামলায় আটক শিক্ষককে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণখাড়া, দেবিদ্বার, কুমিল্লা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. খোরশেদ আলম, আরিফ, ভুক্তভোগী ছাত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০, ২৬ জুলাই, ২০ আগস্ট, ২২ ধারা, ১০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!