📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজার রিসোর্টের অগ্নিকাণ্ডে যশোরের পরিবার নিখোঁজ: চার সদস্যের খবর এখনো পাওয়া যায়নি

কক্সবাজার রিসোর্টের অগ্নিকাণ্ডে যশোরের পরিবার নিখোঁজ: চার সদস্যের খবর এখনো পাওয়া যায়নি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের একটি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে যশোরের এক পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ। নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা (৩৬) ও দুই শিশু (৭ ও ৩ বছর) এখনো উদ্ধার হয়নি। পুলিশ ডিএনএ পরীক্ষা করছে মরদেহ শনাক্তের জন্য

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের একটি রিসোর্টে আগুন লাগার পর যশোরের একটি পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩৬) এবং দুই শিশু রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩) এখনো উদ্ধার হয়নি। এই পরিবার কক্সবাজারের রিসোর্টে থাকতেন, কিন্তু অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তাদের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগায় ১০ জনের মৃত্যু, তাদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন নিখোঁজ
  • 📌 যশোরের মনিরামপুরের নাহিদুর রহমান (৪১), স্ত্রী আফসানা (৩৬) ও দুই শিশু (৭ ও ৩ বছর) এখনো উদ্ধার হয়নি
  • 📌 নাহিদুর ঢাকার গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডে কর্মকর্তা ছিলেন, পরিবার মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় বাস করত
  • 📌 পুলিশ ডিএনএ পরীক্ষা করছে মরদেহ শনাক্তের জন্য, স্বজনদের আশঙ্কা নিখোঁজদের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা
  • 📌 নাহিদুর ১৬-১৮ অক্টোবর রিসোর্টে থাকার বুকিং দিয়েছিলেন, কিন্তু ১৮ অক্টোবর রাত ১টায় ছাড়ার কথা ছিল

📰 বিস্তারিত

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের টুপটুপ রিসোর্টে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় আগুন লাগায়। সকাল সাড়ে ১০টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ১০ জনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নাহিদুর রহমানের পরিবারের চার সদস্যের খবর এখনো পাওয়া যায়নি। নাহিদুরের বড় ভাই জাহিদুর রহমান জানান, ভাই শুক্রবার কক্সবাজার যাবেন বলে জানিয়েছিলেন, কিন্তু শনিবার রাত ১২টার পরও তাদের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

নাহিদুর ঢাকার শ্যামলীতে গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। নাহিদুর মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। তার বড় ভাই জাহিদুর বলেন, ‘আমরা দুই ভাই। মা নেই। অসুস্থ বাবা আমাদের সঙ্গে গ্রামে থাকেন। বাবা এখনো নাহিদুরের ঘটনার কথা জানেন না। তাঁরা বেঁচে আছেন, নাকি মারা গেছেন, সেটিও নিশ্চিত হতে পারিনি।’

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নাহিদুরের পরিবারের সদস্যদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। মরদেহগুলো মারাত্মকভাবে পুড়ে গিয়েছে, তাই ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছে। স্বজনদের আশঙ্কা, নিখোঁজদের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মনিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের ছবি পোস্ট করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

"আমরা দুই ভাই। মা নেই। অসুস্থ বাবা আমাদের সঙ্গে গ্রামে থাকেন। বাবা এখনো নাহিদুরের ঘটনার কথা জানেন না। তাঁরা বেঁচে আছেন, নাকি মারা গেছেন, সেটিও নিশ্চিত হতে পারিনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কক্সবাজার (মেরিন ড্রাইভ, টুপটুপ রিসোর্ট), ঢাকা (শ্যামলী, মিরপুর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাহিদুর রহমান (৪১), আফসানা মতিন তানজি (৩৬), রুজাইনা ইনায়া (৭), সুনাইনা ইহানা (৩), জাহিদুর রহমান (নাহিদুরের ভাই)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন মৃত্যু, ৪ জন নিখোঁজ, ১৬-১৮ অক্টোবর (রিসোর্ট বুকিং), ১৮ অক্টোবর রাত ১টা (ছাড়ার সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖