📌 চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার সাবেক দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ আটজনের বিরুদ্ধে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে সরাসরি এফআইআর দায়েরের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলাটির তদন্তে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার সাবেক দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ আটজনের বিরুদ্ধে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে সরাসরি এফআইআর দায়েরের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলাটির তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম সিনিয়র স্পেশাল জজ কাজী মিজানুর রহমানের আদালত সাতকানিয়া থানার সাবেক দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ আটজনের বিরুদ্ধে সরাসরি এফআইআর দায়েরের আদেশ দেন
- 📌 মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 অভিযুক্তরা হলেন সাতকানিয়া থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক সৈয়দ তারেক ইমরোজ, উপপরিদর্শক ফজলু এবং অজ্ঞাতনামা পাঁচ থেকে ছয়জন পুলিশ সদস্য
- 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ২৬ মে থেকে ২৯ মে পর্যন্ত অভিযোগ ছাড়াই হেফাজতে রেখে নির্যাতন করা হয়
- 📌 অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছিল এবং মুঠোফোন আটক রাখা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার সাবেক দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ আটজনের বিরুদ্ধে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে সরাসরি এফআইআর দায়েরের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গত রোববার চট্টগ্রাম সিনিয়র স্পেশাল জজ কাজী মিজানুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রোববার আদালতে স্পেশাল মামলাটির গ্রহণযোগ্যতার ওপর অধিকতর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। তিনি জানান, আদালত পরবর্তী সময়ে মামলার গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে আদেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন সাতকানিয়া থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক সৈয়দ তারেক ইমরোজ, উপপরিদর্শক ফজলু এবং অজ্ঞাতনামা পাঁচ থেকে ছয়জন পুলিশ সদস্য। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সাতকানিয়া থানার এওছিয়া গ্রামের মৃত ফরিদুল আলমের ছেলে মোহাম্মদ পারভেজ স্বল্প বেতনের চাকরি ও ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ২৬ মে কোনো পরোয়ানা বা অভিযোগ ছাড়াই তাঁকে থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। তাঁর দুই হাতে গুরুতর জখম করা হয় এবং বাম কানে আঘাতের কারণে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাঁর কাছে দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছিল এবং মুঠোফোন আটক রাখা হয়েছিল। পরে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
"বর্তমানে রিয়াজউদ্দিন বাজারের ব্যবসায়ী মামলার বাদী পারভেজ বলেন, এর আগে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাপ সৃষ্টি করায় তিনি ভয়ে মামলা দায়ের করতে পারেননি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, সাতকানিয়া থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ পারভেজ (বাদী), কাজী মিজানুর রহমান (বিচারক), আনোয়ার হোসেন (আইনজীবী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ জন, ২ লাখ টাকা, ২ মাস ৩ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!