📌 চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে প্রায় আড়াই ঘণ্টা পরিষেবা স্থগিত ছিল। স্টেডিয়াম এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফিসহ গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ব্যাহত হয়। পরে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ চালু করা হলেও রোগীদের ভোগান্তি চরমে ওঠে
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে শনিবার সকালে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাফিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা স্থগিত হয়ে পড়ে। ফলে দীর্ঘ অপেক্ষার মধ্য দিয়ে রোগীদের ভোগান্তি বেড়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে প্রায় আড়াই ঘণ্টা পরিষেবা স্থগিত ছিল
- 📌 স্টেডিয়াম এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফিসহ গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ব্যাহত হয়
- 📌 বিদ্যুৎ বিভাগের ঘোষণা অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত স্টেডিয়াম এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল
- 📌 হাসপাতাল পরিচালকের জরুরি অনুরোধে বিদ্যুৎ বিভাগ দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করে
📰 বিস্তারিত
শনিবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট শুরু হয়। স্টেডিয়াম এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় হাসপাতালের রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগের সব যন্ত্রপাতি অচল হয়ে পড়ে। ফলে এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফির জন্য অপেক্ষারত রোগীদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। হাসপাতালের রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগের প্রধান কাজী মো. আলম জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় এক্স-রে মেশিন ও আলট্রাসনোগ্রাফি যন্ত্র চালানো সম্ভব হয়নি। শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিনও অচল হয়ে যায়।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, স্টেডিয়াম এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা আগেই দেওয়া হয়েছিল। কারণ হিসেবে বলা হয়, সেখানে কেব্লিং ও মেরামতকাজ চলবে। তবে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিনের জরুরি অনুরোধে বিদ্যুৎ বিভাগ দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করে। স্টেডিয়াম এলাকার নির্বাহী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম জানান, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আগেই জনসাধারণকে সতর্ক করা হয়েছিল। তবে হাসপাতালের রোগীদের ভোগান্তি বিবেচনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ দ্রুত পুনরুদ্ধার করা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা যায়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে টিকিট কাউন্টারসহ অন্যান্য বিভাগেও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অনেক জরুরি পরীক্ষা যথাসময়ে সম্পন্ন না হওয়ায় রোগীদের ভোগান্তি আরও বৃদ্ধি পায়। যদিও হাসপাতালের নিজস্ব জেনারেটর চালু করে কিছু সেবা অব্যাহত রাখা হয়েছিল, তবে তা পর্যাপ্ত ছিল না।
"রোগীদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে আমরা জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ বিভাগে যোগাযোগ করি। পরে তারা দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধার করে। এখন হাসপাতালে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম, পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন, বিভাগীয় প্রধান কাজী মো. আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়কাল আড়াই ঘণ্টা, স্টেডিয়াম এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!