📌 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া হোসনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ নিশ্চিন্তপুরে নির্মিত ১৭ কোটি টাকার ইকো-পার্কের কেবল কার ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বন বিভাগের অচলতা ও অর্থ বরাদ্দের অভাবের কারণে এটি দুই বছর ধরে মেরামতের অপেক্ষায় রয়েছে
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ নিশ্চিন্তপুর এলাকায় নির্মিত ১৭ কোটি টাকার ইকো-পার্কের কেবল কার ধ্বংসস্তূপে রূপান্তরিত হয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ভাঙচুর ও লুটপাটের পর থেকে এই অবকাঠামো মেরামতের অপেক্ষায় রয়েছে। বন বিভাগের অচলতা ও অর্থ বরাদ্দের অভাবের কারণে কেবল কারসহ পার্কের অন্যান্য অবকাঠামো ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ কোটি টাকার ইকো-পার্কের কেবল কার দুই বছর ধরে মেরামতের অপেক্ষায় রয়েছে
- 📌 বন বিভাগের অভিজ্ঞ কারিগরি দল আমদানি করতে অর্থ বরাদ্দের অভাব
- 📌 অবহেলা ও অযত্নে কেবল কারসহ পার্কের অবকাঠামো ধ্বংসের পথে
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর তোলা ছবিতে দেখা যায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত কেবল কার
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ নিশ্চিন্তপুরে অবস্থিত এভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্কে নির্মিত কেবল কার বর্তমানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে এই কেবল কার ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হওয়ার পর থেকে বন বিভাগের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বন সংরক্ষকদের মতে, এই অবকাঠামো মেরামতের জন্য প্রথমে বিদেশ থেকে অভিজ্ঞ কারিগরি দল আমদানি করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানি করতে হবে, কিন্তু অর্থ বরাদ্দের অভাবের কারণে এই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে না।
অবহেলা ও অযত্নে কেবল কারসহ পার্কের অন্যান্য অবকাঠামো ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এই ধ্বংসস্তূপের জন্য মেরামতের ব্যয় অত্যন্ত উচ্চ হবে। তবে বর্তমানে কোনো অর্থ বরাদ্দ না থাকায় মেরামতের কোনো সম্ভাবনা নেই।
১৭ সেপ্টেম্বর তোলা ছবিতে দেখা যায়, কেবল কারের ধ্বংসস্তূপের পাশে পার্কের অন্যান্য অবকাঠামোও ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় রয়েছে।
"কেবল কার মেরামত অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ক্ষয়ক্ষতি যাচাই করতে প্রথমে বিদেশ থেকে অভিজ্ঞ কারিগরি দল আনতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানি করতে হবে। কিন্তু অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সেই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা, হোসনাবাদ ইউনিয়ন, দক্ষিণ নিশ্চিন্তপুর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ কোটি টাকা (নির্মাণ খরচ), ১৭ সেপ্টেম্বর (ছবি তোলার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!