📌 চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নগরীর পূজা কমিটি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সহযোগিতায় নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে শারদীয় দুর্গাপূজা। তিনি বলেছেন, ধর্মীয় ঐক্য ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়ানোর জন্য সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন
চট্টগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী উপলক্ষে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে অনুষ্ঠিত প্রতিমা নিরঞ্জন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নগরীর পূজা উদযাপন কমিটি, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, নাগরিক সেবা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করে উৎসবটি সফল হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২১ অক্টোবর পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে অনুষ্ঠিত প্রতিমা নিরঞ্জন অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানান এবং দুর্গাপূজার সফল সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
- 📌 তিনি বলেন, পূজা উদযাপন কমিটি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বেচ্ছাসেবক ও গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতার কারণে উৎসবটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
- 📌 মেয়র বলেন, ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন নাগরিক সেবা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, সড়ক সংস্কার ও অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা।
- 📌 তিনি চট্টগ্রামকে বহুধর্মীয় সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং ধর্মীয় উৎসবের বাইরে নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও জননিরাপত্তায় সবার অংশগ্রহণের দাবি তুলেন।
- 📌 অনুষ্ঠানে অধ্যাপক অর্পন কান্তি ব্যানার্জী সভাপতিত্ব করেন এবং অ্যাডভোকেট নিখিল নাথ, ক্যাপ্টেন শামীম, ডা. নুরুল আবসারসহ ২০ জনেরও বেশি ব্যক্তি বক্তব্য রাখেন।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য পূজা উদযাপন কমিটি, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘উৎসবের সার্বিক পরিবেশ সুন্দর রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময় করা হয়েছে। সবার আন্তরিকতা ও সহযোগিতার কারণেই উৎসবটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।’
মেয়র বলেন, ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন নাগরিক সেবা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, চলাচলের উপযোগী সড়ক এবং উৎসবস্থলে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম ঐতিহাসিকভাবেই বহুধর্মীয় সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের নগরী। এখানে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পাশাপাশি বসবাস করছেন। একে অপরের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েই এই সামাজিক বন্ধন আরও শক্তিশালী হয়।’
মেয়র আরও বলেন, ‘দুর্গোৎসবের সফল সমাপ্তি আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। এই সহযোগিতার ধারাবাহিকতা সারা বছর বজায় রাখতে হবে। ধর্মীয় উৎসবের বাইরেও নগরীর পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ সংরক্ষণ, জননিরাপত্তা এবং নাগরিক দায়িত্ব পালনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সিটি কর্পোরেশন ও নগরবাসীর মধ্যে অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় হলে চট্টগ্রামকে একটি শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’
"প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘটলেও সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মানবিকতার চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। সব ধর্মের মানুষের নিরাপদে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ভবিষ্যতেও সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শাহাদাত হোসেন (চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ অক্টোবর (বিজয়া দশমী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!