📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দক্ষিণাঞ্চলের মৎস্যসম্পদ ধ্বংসের প্রধান কারণ ‘চায়না দুয়ারি’ জাল, জানেন না অনেক জেলে

দক্ষিণাঞ্চলের মৎস্যসম্পদ ধ্বংসের প্রধান কারণ ‘চায়না দুয়ারি’ জাল, জানেন না অনেক জেলে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদী ও খাল-বিলে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ‘চায়না দুয়ারি’ জাল দেশীয় মাছের প্রজনন ও মজুতকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলেছে। স্থানীয় জেলেরা অবৈধ এই জাল ব্যবহারের কারণে মাছ ধরতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। মৎস্য অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল জব্দ করলেও সচেতনতার অভাবে সংকট অব্যাহত রয়েছে

দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলার নদ-নদী, খাল ও বিলে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ‘চায়না দুয়ারি’ নামক অবৈধ জাল দেশীয় মাছের প্রজনন ও মজুতকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলেছে। মশারির মতো সূক্ষ্ম বুননের এই জাল পানিতে পাতলে ছোট-বড় কোনো মাছই রক্ষা পায় না। স্থানীয় জেলেরা জানিয়েছেন, গত ছয় বছরে কম পরিশ্রমে বেশি মাছ ধরার আশায় এই জালের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলার নদ-নদী ও খাল-বিলে ‘চায়না দুয়ারি’ জালের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি
  • 📌 এই জালের দৈর্ঘ্য সাধারণত ৬০ থেকে ১০০ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে
  • 📌 মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, নির্ধারিত আকারের চেয়ে ছোট ফাঁসের জাল আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ
  • 📌 গত ১৬ আগস্ট থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ছয় হাজার মিটার জাল জব্দ
  • 📌 গবেষণায় দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীতে ১০৫ প্রজাতির মাছের মধ্যে ১১টি ঝুঁকিপূর্ণ, ১৪টি বিপন্ন ও ৭টি মহাবিপন্ন শ্রেণিতে চিহ্নিত

📰 বিস্তারিত

বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক আনিসুজ্জামান জানান, গেজেটে নাম থাকুক বা না থাকুক, মৎস্য আইনে ‘চায়না দুয়ারি’ জাল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ইতিমধ্যে গৌরনদী, আগৈলঝাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে। সব মৎস্য কর্মকর্তাকে এই জালের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ও হারতা বিল দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় জেলে সুরেন মণ্ডল জানান, এই জাল নিষিদ্ধের বিষয়টি তিনি জানতেন না। তাঁর মতে, অন্য জালে মাছ পাওয়া যায় না বলে বাধ্য হয়ে চায়না দুয়ারি ব্যবহার করতে হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বর্ষার শুরুতেই এই জাল পানিতে পেতে রাখা হয়। জোয়ারের পানিতে আসা মাছ ও পোনা জালে আটকা পড়ে। কয়েক ঘণ্টা পরপর জালের ‘টোন’ খুলে মাছ বের করে আবার সেটি পানিতে পেতে রাখা হয়।

২০ আগস্ট বরগুনার তালতলী উপজেলার আগাপাড়া, নলবুনিয়া, নিদ্রা ও সখিনা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ফসলি জমির পানিতে ও খালে চায়না দুয়ারি জাল পেতে রাখা হয়েছে। আগাপাড়া গ্রামের সালাম খা, সরোয়ার বিশ্বাস ও হালিম হাওলাদার জানান, তাঁরা এই জাল নিষিদ্ধের বিষয়ে অবগত ছিলেন না।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. আলমগীর কবির ও এম রাজিব সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীতে ১০৫ প্রজাতির মাছের মধ্যে ১১টি ঝুঁকিপূর্ণ, ১৪টি বিপন্ন ও ৭টি মহাবিপন্ন শ্রেণির মাছ শনাক্ত করা হয়েছে। গবেষণা প্রতিবেদনটি ইউরোপীয় প্রাণিবিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, চায়না দুয়ারি জালের কারণে বিপন্ন প্রজাতির মাছের বিলুপ্তির ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

"এই জাল নিষিদ্ধের বিষয়টি জানতাম না। এখন সবাই এই জাল দিয়েই মাছ ধরে। অন্য জালে মাছ পাওয়া যায় না। তাই বাধ্য হয়ে চায়না দুয়ারি ব্যবহার করি।" — হারতা এলাকার জেলে সুরেন মণ্ডল

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনিসুজ্জামান (মৎস্য অধিদপ্তর), সুরেন মণ্ডল (জেলে), সালাম খা, সরোয়ার বিশ্বাস, হালিম হাওলাদার (জেলেরা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ থেকে ১০০ ফুট (জালের দৈর্ঘ্য), ১৬ আগস্ট, ২০ আগস্ট, ২৪ আগস্ট, ১০৫ প্রজাতির মাছ, ১১টি ঝুঁকিপূর্ণ, ১৪টি বিপন্ন, ৭টি মহাবিপন্ন, প্রায় ৬ হাজার মিটার জাল জব্দ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖