📌 শিশু একাডেমির জমি স্থায়ী বরাদ্দের আশা জাগিয়েছেন তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ। শিশু অধিকার দিবস ও প্রতিষ্ঠানের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে শিশু একাডেমির কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও জমি জটিলতা নিষ্পত্তির কথা আলোচিত হয়। সরকারের লক্ষ্য: ৬৪ জেলার সব উপজেলায় শিশু একাডেমি ছড়িয়ে দেওয়া
শিশু একাডেমির জমি স্থায়ী বরাদ্দের বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ। শাহবাগে অনুষ্ঠিত ‘শিশুর স্বপ্নে ৫০ বছর: অর্জন, অভিজ্ঞতা ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেওয়া এই জমির ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং আদালতের রায়ের কারণে জটিলতা চলছে। সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিলে শিশুদের জন্য জমিটি স্থায়ীভাবে বরাদ্দ করা সম্ভব হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিশু একাডেমির জমি স্থায়ী বরাদ্দের আশা জাগিয়েছেন তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ। জমির ইজারার মেয়াদ শেষ এবং আদালতের রায়ের কারণে জটিলতা রয়েছে।
- 📌 ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, শিশুদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে তাদের বিকাশে কাজ করা হচ্ছে।
- 📌 ৬৪ জেলার সব উপজেলায় শিশু একাডেমির কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বর্তমানে শিশু একাডেমির পরিবেশ উন্নত হয়েছে।
- 📌 সেমিনারে প্রধান অতিথি সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, শিশুদের মানসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের পাশাপাশি খেলাধুলায় তাদের দায়িত্ব পালন করবে প্রতিষ্ঠানটি।
- 📌 ১৭ সদস্যের পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করেছে সরকার সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর খসড়া পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য।
📰 বিস্তারিত
শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের অংশ হিসেবে আজ বুধবার রাজধানীর শাহবাগে অনুষ্ঠিত সেমিনারে শিশু একাডেমির জমি স্থায়ী বরাদ্দের বিষয়ে আলোচনা হয়। তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেওয়া এই জমির ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং আদালতের রায়ের কারণে জটিলতা চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিলে শিশুদের জন্য জমিটি স্থায়ীভাবে বরাদ্দ করা সম্ভব হবে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘এই দেশের ভবিষ্যৎ শিশুদের হাতে। আমরা তাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।’ তিনি উল্লেখ করেন, শিশু একাডেমির কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৬৪ জেলার সব উপজেলায় প্রতিষ্ঠানটি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আলাদা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, শিশু একাডেমির পরিবেশ উন্নতির জন্য দায়িত্ব নেওয়ার পর গত সাড়ে সাত মাসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শিশুদের মানসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের পাশাপাশি খেলাধুলায় তাদের দায়িত্ব পালন করবে প্রতিষ্ঠানটি।
সেমিনারে প্রধান আলোচক জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় শিশু একাডেমির শাখা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া দরকার। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে ৬৪ জেলায় কার্যক্রম রয়েছে, কিন্তু অনেক উপজেলা এখনো এর বাইরে রয়েছে।
"গ্রামাঞ্চলের শিশুদের বিনোদনের সুযোগ খুবই সীমিত। জারি-সারি গান, লাঠিখেলা, নৌকাবাইচসহ দেশীয় ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতির সঙ্গে শিশুদের পরিচিত করতে হবে। ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলার সুযোগও বাড়াতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শাহবাগ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ আবদাল আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, কবি হাসান হাফিজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর (শিশু একাডেমির), ৬৪ জেলা, ৬৪টি জেলা, ১৭ সদস্য (পর্যবেক্ষণ কমিটি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!