📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের মিরসরাইতে ১১ বছর ধরে ঝুলে আছে ২৭৬টি প্লটের আবাসন প্রকল্প, গ্রাহকরা দিশাহারা

চট্টগ্রামের মিরসরাইতে ১১ বছর ধরে ঝুলে আছে ২৭৬টি প্লটের আবাসন প্রকল্প, গ্রাহকরা দিশাহারা

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের মিরসরাইতে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের ২৭৬টি প্লটের আবাসন প্রকল্প ১১ বছর ধরে স্থবির। টাকা পরিশোধ করেও গ্রাহকরা প্লট পাননি, প্রকল্পের প্রবেশপথ ময়লায় ভরা। দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে ৪৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে

চট্টগ্রামের মিরসরাইতে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের একটি আবাসন প্রকল্প ১১ বছর ধরে স্থবির অবস্থায় রয়েছে। ২৭৬টি প্লটের এই প্রকল্পে টাকা পরিশোধ করে গ্রাহকরা প্লট পাননি, প্রকল্পের প্রবেশপথ ময়লা-আবর্জনায় ভরা অবস্থায় রয়েছে। প্রকল্পের দায়সারা গোছের সামান্য মাটি কাটার পর আর কোনো কাজ এগোয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১১ বছর ধরে স্থবির চট্টগ্রামের মিরসরাইতে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের ২৭৬টি প্লটের আবাসন প্রকল্পে কোনো অগ্রগতি নেই
  • 📌 ৪২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন ২০২৫ সালে মামলা করে, ৪৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে
  • 📌 ৩ ও ৫ কাঠা প্লটের প্রতি কাঠার দর ছিল ৭ লাখ ৭ হাজার টাকা, ৩ কাঠার প্লটের মূল্য ২১ লাখ ২১ হাজার টাকা, ৫ কাঠার প্লটের মূল্য ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা
  • 📌 কুয়েতপ্রবাসী ফরহাদ হোসেন ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মনজুর কাদের চৌধুরীসহ বহু গ্রাহক টাকা জমা দিয়েও প্লট পাননি
  • 📌 ২০২৬ সালের এপ্রিলে ১৮ কোটি টাকার নতুন উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হলেও বাজারদরের অসঙ্গতি কারণে কোনো ঠিকাদার অংশ নেননি

📰 বিস্তারিত

২০১৫ সালের জুলাই মাসে মিরসরাই সদর ইউনিয়নের কিছমত জাফরাবাদ এলাকায় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ এই প্রকল্পটি হাতে নেয়। প্রকল্পের প্রবেশপথ এখন ময়লা-আবর্জনায় ভরা অবস্থায় রয়েছে। প্রকল্পের দায়সারা গোছের সামান্য মাটি কাটার পর আর কোনো কাজ এগোয়নি। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অংশ পরস্পর যোগসাজশে প্রকৃত মাটি ভরাট না করেই ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করেছে।

প্রকল্পে ২৭৬টি প্লট বরাদ্দ করা হয়েছিল। ৩ ও ৫ কাঠা আয়তনের প্লটের প্রতি কাঠার দর নির্ধারণ করা হয়েছিল সাত লাখ সাত হাজার টাকা। অধিকাংশ গ্রাহকই নির্ধারিত কিস্তিতে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করে দিয়েছেন। কুয়েতপ্রবাসী ফরহাদ হোসেন বলেন, তিন কাঠার একটি প্লট পাওয়ার আশায় ১৬ লাখ টাকা জমা দিয়েছি এক দশক আগে। কিন্তু কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মনজুর কাদের চৌধুরী জানান, সঞ্চয় ও পেনশনের ২১ লাখ টাকা দিয়েও তিনি স্বপ্নপূরণ করতে পারেননি।

প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি আজিজুল হক নিজামী বলেন, আমার মতো বহু শিক্ষক ঋণ নিয়ে এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করে এখন দিশেহারা। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রকল্পের সামনের অংশ ময়লা-আবর্জনায় ভরা, চার দিকে দুর্গন্ধ। কোথাও কোথাও বালুর স্তূপ ছাড়া কোনো দৃশ্যমান ভৌত অবকাঠামো কিংবা সীমানাপ্রাচীর গড়ে ওঠেনি।

"এত দিন ধরে কেন প্রকল্পটি ঝুলে রয়েছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম থাকলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি গ্রাহকদের দ্রুত প্লট বুঝিয়ে দিতে পদক্ষেপ নেয়া হবে।"

— স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল আমিন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরসরাই সদর ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফরহাদ হোসেন (কুয়েতপ্রবাসী), মনজুর কাদের চৌধুরী (অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক), আজিজুল হক নিজামী (প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি), নুরুল আমিন (সংসদ সদস্য)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর (স্থবির), ২৭৬টি প্লট, ৪২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা (ব্যয়), ৪৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা (আত্মসাত), ১৮ কোটি টাকা (নতুন পরিকল্পনা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖