📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের পাহাড়ধস রোধে ‘জাদুর ঘাস’ প্রকল্পের পুনর্জীবন চেষ্টা: থাই রাজকুমারীর হাত ধরে শুরু হয়েছিল যাত্রা

চট্টগ্রামের পাহাড়ধস রোধে ‘জাদুর ঘাস’ প্রকল্পের পুনর্জীবন চেষ্টা: থাই রাজকুমারীর হাত ধরে শুরু হয়েছিল যাত্রা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের পাহাড়ধস ও ভূমিক্ষয় রোধে ২০১৮ সালে শুরু হওয়া ‘জাদুর ঘাস’ প্রকল্পটি থেমে যায় তিন বছরের মাথায়। থাই রাজকুমারী মহা চক্রী সিরিনধরনের হাতে উদ্বোধিত প্রকল্পটি পুনরায় চালু করতে উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।

চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়ধস ও ভূমিক্ষয় রোধে ২০১৮ সালে শুরু হওয়া ‘জাদুর ঘাস’ প্রকল্পটি তিন বছরের মাথায় থেমে যায়। প্রকল্পটির পুনর্জীবন দিতে আবার পরীক্ষামূলকভাবে বিন্না ঘাস রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 থাই রাজকুমারী মহা চক্রী সিরিনধরনের হাতে ২০১৮ সালের ৩০ মে উদ্বোধিত হয়েছিল ‘জাদুর ঘাস’ প্রকল্প
  • 📌 প্রকল্পটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম থেমে যায় ২০২১ সালে প্রশাসনিক পরিবর্তন ও অর্থাভাবের কারণে
  • 📌 প্রকল্পটির মোট ব্যয় ছিল ২৮ লাখ টাকা, যার মধ্যে থাই সরকার দিয়েছিল ২০ লাখ টাকা
  • 📌 পুনরায় চালু করতে পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বিন্না ঘাস রোপণের পরিকল্পনা করেছে সিটি করপোরেশন

📰 বিস্তারিত

বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টির সময় চট্টগ্রামে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতা দুটি প্রধান সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়। প্রতি বছরই এসব ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এই পরিপ্রেক্ষিতে পাহাড়ধস ঠেকাতে চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়গুলোতে বিন্না নামের এক জাতের ঘাস রোপণের উদ্যোগ নেয় সিটি করপোরেশন। বিদেশে ‘ভেটিভার’ নামে পরিচিত এই ঘাস পাহাড়ের ক্ষয়রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে বলে গবেষকেরা একে ‘জাদুর ঘাস’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

২০১৮ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম নগরের টাইগারপাস এলাকায় বাটালি হিলের মিঠা পাহাড়ের পাদদেশে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে থাইল্যান্ডের রাজকুমারী মহা চক্রী সিরিনধরন নিজ হাতে বিন্না ঘাসের চারা রোপণ করেন। একই অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করা হয়েছিল বিন্না ঘাস উন্নয়ন কেন্দ্র বা ভেটিভার সেন্টার। পাহাড়ের পাদদেশে তৈরি করা হয়েছিল প্রদর্শনী প্লট ও প্রশিক্ষণ শেড।

থাইল্যান্ডের সাইপাট্টানা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিয়েছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন পরিবেশমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, তৎকালীন সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত প্যানপিমন সোয়ানাপুগন্সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রকল্পটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম তিন বছরের মাথায় থেমে যায়। টাকার অভাব এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক পরিবর্তনের কারণে ২০২১ সালে প্রকল্পটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ছিল ২৮ লাখ টাকা, যার মধ্যে থাই সরকার দিয়েছিল ২০ লাখ টাকা। বাকি টাকা সিটি করপোরেশনের নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ করা হয়েছিল।

তৎকালীন প্রধান প্রকৌশলী লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দিন আহমদের উদ্যোগে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। উদ্বোধনের সময় তৎকালীন পরিবেশমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ প্রকল্পের জন্য দুই কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে সেই অর্থ ছাড় না হওয়ায় প্রকল্পটি আর এগোয়নি।

"পাহাড়ধস ও ভূমিক্ষয় রোধে বিন্না ঘাস অত্যন্ত কার্যকর। পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করা প্রকল্পটি পুনরায় চালু করতে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজকুমারী মহা চক্রী সিরিনধরন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖