📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের পাহাড় কাটা ও জলাশয় হারিয়ে তাপমাত্রা বেড়েছে ১.৮ ডিগ্রি: গবেষণা

চট্টগ্রামের পাহাড় কাটা ও জলাশয় হারিয়ে তাপমাত্রা বেড়েছে ১.৮ ডিগ্রি: গবেষণা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামে পাহাড় কাটা, জলাশয় ভরাট ও গাছপালা ধ্বংসের কারণে ১৩ বছরে ভূপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গবেষণা দেখায়, নগর থেকে হারিয়েছে ২০.৫১ শতাংশ জলাশয় এবং পাহাড় কাটার ১৩০টি মামলা হয়েছে ২৩ বছরে।

চট্টগ্রামের পাহাড় কাটা, জলাশয় ভরাট ও গাছপালা ধ্বংসের কারণে নগরটি তাপের ফাঁদে পরিণত হচ্ছে। গবেষণা দেখায়, ১৩ বছরে ভূপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাহাড় কাটা, পুকুর-দিঘি ভরাট ও কংক্রিটের অবকাঠামো বাড়ানোর কারণে শহরের স্বাভাবিক শীতলতা নষ্ট হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামে ১৩ বছরে ভূপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২০১১ থেকে ২০২৪) — ৩২.৪৮ ডিগ্রি থেকে ৩৪.২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উন্নীত হয়েছে
  • 📌 গত চার দশকে চট্টগ্রাম নগর থেকে হারিয়েছে ২০.৫১ শতাংশ জলাশয়
  • 📌 ২৩ বছরে পাহাড় কাটার ঘটনায় মামলা হয়েছে ১৩০টি
  • 📌 পাহাড় কাটা, পুকুর ভরাট ও গাছপালা কমানোর কারণে শহরের স্বাভাবিক শীতলতা নষ্ট হচ্ছে
  • 📌 অতিরিক্ত গরমে শ্রমজীবীদের কর্মক্ষমতা ব্যাহত হচ্ছে
  • 📌 আরেফিন নগর, পশ্চিম খুলশী ও রাঙ্গুনিয়ার দক্ষিণ নিশ্চিন্তপুরে পাহাড় কাটা ও প্লট তৈরির ঘটনা ঘটছে

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রামের আরেফিন নগরে পাহাড় কাটা ও বসতি ছড়িয়ে পড়ার চিত্র ধরা পড়েছে। পাহাড়ের ঢাল কেটে সমতল জমি তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে শত শত ঘর ও টিনের বাড়ি নির্মিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিন-রাতে পাহাড় কাটার ঘটনা ঘটে, কিন্তু কারা করছেন এবং কার অনুমতি নিয়ে তা করা হচ্ছে তা প্রকাশ্যে বলতে চান না।

গবেষণা থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে চট্টগ্রামের ভূপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১১ সালে তাপমাত্রা ছিল ৩২.৪৮ ডিগ্রি, যা ২০২৪ সালে বেড়ে ৩৪.২৭ ডিগ্রি হয়েছে। এই তাপমাত্রা মাপা হয়েছে ভূপৃষ্ঠের — রাস্তার পিচ, ভবনের ছাদ, খোলা মাটি বা ঘাসে ঢাকা জমির তাপমাত্রা। গবেষকদের মতে, পাহাড়, গাছপালা ও জলাশয় থাকা জায়গা তুলনামূলক ঠান্ডা, কিন্তু ভবন ও সড়কের মতো পাকা অবকাঠামো ঢাকা জায়গা তুলনামূলক বেশি গরম হয়।

পশ্চিম খুলশীর রূপসী পাহাড়ের মতো এলাকায় পাহাড়ের খাঁজ ও পাদদেশ কেটে অন্তত আটটি প্লট তৈরি করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতি কাঠা প্লট ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। বরইতলী ও কাঁঠালবাগান এলাকায়ও পাহাড় কাটা ও প্লট বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। সেখানে পাহাড়ের ঢালে টিনের ঘর ও কাটা অংশে প্লট তৈরি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে রাঙ্গুনিয়ার দক্ষিণ নিশ্চিন্তপুরে পাহাড় কাটার আরেকটি চিত্র দেখা গেছে। রাঙ্গুনিয়া এভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্কের কাছাকাছি এলাকায় পাহাড়ের ভাঁজে শত শত ঘর নির্মিত হয়েছে। পাহাড়ের গায়ের গাছপালা সরিয়ে মাটি খোলা করা হয়েছে, যেখানে নতুন ঘর ও স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে।

"পাহাড় কাটা, পুকুর ভরাট ও গাছপালা কমানোর কারণে শহরের স্বাভাবিক শীতলতা নষ্ট হচ্ছে। অতিরিক্ত গরমে শ্রমজীবীদের কর্মক্ষমতা ব্যাহত হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম (আরেফিন নগর, পশ্চিম খুলশী, রাঙ্গুনিয়া)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় বাসিন্দা, গবেষক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩০টি মামলা (পাহাড় কাটা), ২০.৫১% (জলাশয় হারানো), ১.৮ ডিগ্রি (তাপমাত্রা বৃদ্ধি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖