📅 ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের হারুয়ালছড়িতে নির্মাণাধীন সেতুতে মেয়াদ বাড়িয়েও কাজ শেষ হয়নি, বাসিন্দাদের ভোগান্তি দীর্ঘায়িত

চট্টগ্রামের হারুয়ালছড়িতে নির্মাণাধীন সেতুতে মেয়াদ বাড়িয়েও কাজ শেষ হয়নি, বাসিন্দাদের ভোগান্তি দীর্ঘায়িত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নে নির্মাণাধীন ১২ মিটার দীর্ঘ সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল জুন মাসে, কিন্তু মাত্র ৫০% কাজ শেষ হয়েছে। মেয়াদ বাড়িয়েও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ শেষ করতে পারেনি, ফলে বাসিন্দাদের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নে নির্মাণাধীন একটি সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল গত জুন মাসে, কিন্তু মেয়াদ বাড়িয়েও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হতে পারেনি। ১২ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণে বর্তমানে মাত্র অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে, যা বাসিন্দাদের যাতায়াতকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় নির্মাণাধীন ১২ মিটার দীর্ঘ সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল জুন মাসে, কিন্তু মাত্র ৫০% কাজ শেষ হয়েছে
  • 📌 প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ১ কোটি ১৬ লাখ ২০ হাজার ৯২১ টাকা, বরাদ্দ ১ কোটি ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৮৭৪ টাকা
  • 📌 ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স বি. এল. করপোরেশন মৌখিক চুক্তিতে কাজ অন্য ব্যক্তিকে দিয়েছে, যিনি দাবি করেছেন এক মাসে কাজ শেষ করবেন
  • 📌 উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবু নাছের দাবি করেছেন ৮৫% কাজ শেষ হয়েছে, কিন্তু কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী মাত্র ৫০%
  • 📌 বাসিন্দা জেবল হোসেন বলেছেন, সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় গত ফেব্রুয়ারি, কিন্তু এত ছোট সেতুতে এত সময় লেগে যাওয়ায় যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের এলাহি নূর চা-বাগান সংলগ্ন সাহেবের রাস্তায় পাঠিয়ালছড়ি খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল গত জুন মাসে। কিন্তু প্রকল্পের আওতায় নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর থেকে মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে দু’বার। প্রথম দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময় দেওয়া হলেও কাজ শেষ হয়নি। এখন আবারও এক বছরের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ১৬ লাখ ২০ হাজার ৯২১ টাকা, কিন্তু বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ১ কোটি ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৮৭৪ টাকা। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবু নাছের দাবি করেছেন, কাজের ৮৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘সম্প্রতি ব্রিজের গার্ডার ঢালাই হয়েছে। আমাদের হিসাবমতে ৮৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আশা করছি, আগামী এক মাসের মধ্যে ব্রিজের সম্পূর্ণ কাজ শেষ হয়ে যাবে।’

কিন্তু উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, কাজের অগ্রগতি মাত্র ৫০ শতাংশ। এ পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নির্মাণকাজ পেয়েছিল চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স বি. এল. করপোরেশন। তবে প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আজম বুখারী জানিয়েছেন, তিনি মৌখিক চুক্তির মাধ্যমে কাজটি অন্য একজনকে দিয়েছেন। সেতুর নির্মাণকাজ করছেন নারায়ণহাট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আজম উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি। আশা করছি, এক মাসের মধ্যে শেষ করতে পারব।’

বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঠিকাদারের অবহেলা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যথাযথ তদারকির অভাবে নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা জেবল হোসেন বলেছেন, ‘গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এত ছোট একটি ব্রিজ নির্মাণে এত সময় লেগে যাওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। সময়মতো নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় স্বাভাবিক যাতায়াত ও জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, রোগী ও কর্মজীবী মানুষকে নিত্যদিন একই ভোগান্তির মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে।’

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বলেছেন, ‘অতিবৃষ্টির কারণে কাজটি শেষ করতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। গত জুনে কাজটি শেষ হওয়ার কথা ছিল। আশা করছি, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কাজটি শেষ হবে।’

"আমাদের হিসাবমতে ৮৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আশা করছি, আগামী এক মাসের মধ্যে ব্রিজের সম্পূর্ণ কাজ শেষ হয়ে যাবে"
"গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এত ছোট একটি ব্রিজ নির্মাণে এত সময় লেগে যাওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবু নাছের (উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা), জেবল হোসেন (বাসিন্দা), মো. আজম উদ্দিন (সদস্য), সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহীম (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ মিটার (সেতুর দৈর্ঘ্য), ১ কোটি ১৬ লাখ ২০ হাজার ৯২১ টাকা (প্রাক্কলিত ব্যয়), ১ কোটি ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৮৭৪ টাকা (বরাদ্দ), ৫০% (কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি), ৮৫% (মো. আবু নাছেরের দাবি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖