📌 চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা শারদীয় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সাম্প্রদায়িক ঐক্যের বার্তা বিশ্ববাসীকে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, জেলায় ২ হাজার ২৮৭টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে
চট্টগ্রামের শারদীয় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক ঐক্যের চিত্র বিশ্ববাসীকে তুলে ধরার উদ্যোগ নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সোমবার (৫ অক্টোবর) সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি প্রস্তুতিমূলক সভায় বলেন, ‘আমরা বিশ্বকে দেখাতে চাই যে চট্টগ্রামের প্রতিটি সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদে বসবাস করে এবং তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম জেলায় ২ হাজার ২৮৭টি পূজামণ্ডপে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে, এর মধ্যে ১ হাজার ৮০০টি মণ্ডপে বিসর্জন অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়ে সাইবার ইউনিটের নজরদারি নিশ্চিত করেছেন
- 📌 স্বেচ্ছাসেবকদের আলাদা পোশাক ও আর্মব্যান্ড ব্যবহার এবং তাদের তালিকা থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 প্রতিমা বিসর্জনের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যানবাহনের ফিটনেস ও চালকের শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা করা হবে
- 📌 জেলা প্রশাসক বলেছেন, ‘আমাদের মনটা একটু বড় করতে হবে’ — নতুন প্রজন্মের কাছে সাম্প্রদায়িক ঐক্যের শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা শারদীয় দুর্গোৎসবের সময় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, পুলিশ, পূজা উদ্যাপন কমিটি এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, এই উৎসবের আনন্দের মধ্যে কোনো বিষাদ আসুক না। সবকিছু আনন্দমুখর পরিবেশে হোক।’
পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম জানান, চট্টগ্রাম জেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে ২ হাজার ২৮৭টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৮০০টি মণ্ডপে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর বিষয়ে সতর্কতা জানিয়ে বলেন, ‘এ ধরনের তৎপরতা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। পূজা উদ্যাপন কমিটিগুলোকে দ্রুত প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি।’
জেলা প্রশাসক গুজব ও অপপ্রচারকে দুর্গোৎসবের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে সাইবার ইউনিটের নজরদারি নিশ্চিত করেছেন। তিনি পূজামণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পরামর্শ দেন। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদের রোস্টার তৈরি করে দায়িত্ব দেওয়া এবং তাদের সহজে শনাক্ত করার জন্য আলাদা পোশাক, কটি বা আর্মব্যান্ড ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। স্বেচ্ছাসেবকদের তালিকা ও মুঠোফোন নম্বর সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে পূজা কমিটিগুলোর প্রতি আহ্বান জানান পুলিশ সুপার।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমাদের মনটা একটু বড় করতে হবে। আমরা যদি মনটাকে বড় করতে না পারি, তাহলে আমাদের পরের প্রজন্ম কী শিখবে?’ তিনি উৎসবের নিজস্ব সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও উদারতার চর্চা বাড়াতে হবে।’
"আমরা বিশ্বকে দেখাতে চাই, এই দেশের প্রতিটি নাগরিক, প্রতিটি সম্প্রদায়, প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী নিরাপদ। তারা নিরাপদে বসবাস করে, নিরাপদে তাদের উৎসব পালন করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, সার্কিট হাউস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার ২৮৭টি পূজামণ্ডপ, ১ হাজার ৮০০টি মণ্ডপে প্রতিমা বিসর্জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!