📌 চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে দুবাই থেকে ফিরে আসা এক যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ১ হাজার ৩০০ পিস নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত প্রসাধনীগুলির ওজন ৪০ কেজি এবং বাজারমূল্য ৮ লাখ টাকা। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে ফিরে আসা এক যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৪০ কেজি ওজনের ১ হাজার ৩০০ পিস নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এই অভিযানটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয় এবং জব্দকৃত প্রসাধনীগুলির আনুমানিক বাজারমূল্য ৮ লাখ টাকা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ হাজার ৩০০ পিস নিষিদ্ধ ‘ফ্রেশ অ্যান্ড হোয়াইট বিউটি ক্রিম’ জব্দ করা হয়েছে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে
- 📌 জব্দকৃত প্রসাধনীগুলির ওজন ৪০ কেজি এবং বাজারমূল্য ৮ লাখ টাকা
- 📌 অভিযান পরিচালিত হয় ৭ নভেম্বর শনিবার দুবাই-চট্টগ্রামগামী বিজি-১৪৮ ফ্লাইট থেকে ফিরে আসা যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে
- 📌 জব্দকৃত ব্যক্তি মোহাম্মদ জাহেদ (Mohammed Jahed), যিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যাত্রী ছিলেন
- 📌 কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, এসব প্রসাধনী আমদানি নীতি লঙ্ঘন করে জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে গোপন অভিযানের অংশ হিসেবে দুবাই থেকে ফিরে আসা এক যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করা হয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটে আসা মোহাম্মদ জাহেদের ব্যাগেজ স্ক্যান ও তল্লাশি করার সময় তাঁর ব্যাগ থেকে ৪০ কেজি ওজনের ১ হাজার ৩০০ পিস নিষিদ্ধ ‘ফ্রেশ অ্যান্ড হোয়াইট বিউটি ক্রিম’ উদ্ধার করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, এই প্রসাধনীগুলি আমদানি নীতি লঙ্ঘন করে এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ধরনের অভিযান জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অব্যাহত থাকবে। তারা বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ ফেস ক্রিমসহ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পণ্যের অবৈধ আমদানি প্রতিরোধে বিমানবন্দরে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
"নিষিদ্ধ এসব প্রসাধনী আমদানি প্রযোজ্য আমদানি নীতি আদেশের বিধান লঙ্ঘন। জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এসব পণ্য দেশে প্রবেশ ও বাজারে ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে বিমানবন্দরে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ জাহেদ (Mohammed Jahed)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৩০০ পিস নিষিদ্ধ প্রসাধনী, ৪০ কেজি ওজন, ৮ লাখ টাকা বাজারমূল্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!