📌 চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চুরির ঘটনা দফায় দফায় ঘটছে। গত আগস্ট থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ২৫টি ট্রান্সফরমারসহ কেবল ও সরঞ্জাম চুরি হয়েছে। এতে রানওয়ের আলোকব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা প্রশ্ন উঠেছে
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চুরির ঘটনা দফায় দফায় ঘটছে। এতে রানওয়ের আলোকব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত আগস্ট মাসের শেষ থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত মোট আটটি পৃথক তারিখে ২৫টি ট্রান্সফরমারসহ কেবল ও সরঞ্জাম চুরি হয়েছে। এতে এক কিলোমিটার এলাকা অন্ধকারে পড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত আগস্ট থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ২৫টি ট্রান্সফরমারসহ কেবল ও সরঞ্জাম চুরি হয়েছে শাহ আমানত বিমানবন্দরে
- 📌 ২ সেপ্টেম্বর রাতে কার্গো ওয়্যারহাউস থেকে রানওয়ের নিরাপত্তাবাতির প্রায় আধা কিলোমিটার কেব্ল কেটে নেওয়া হয়, এক কিলোমিটার এলাকা অন্ধকারে পড়ে যায়
- 📌 রানওয়ের ভূগর্ভস্থ কেবল, অ্যাপ্রোচ লাইটের কেবল, নিরাপত্তাবাতির সংযোগ এবং আলোকব্যবস্থার সরঞ্জাম চুরির শিকার হয়েছে
- 📌 বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন নুর হোসেন বলেছেন, রানওয়েতে চুরি হয়নি; বোট ক্লাবের কাছে দুটি চুরির ঘটনা ঘটেছে
- 📌 বেসরকারি এয়ারলাইনসের ক্যাপ্টেন বলেছেন, রানওয়ের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলে রাতে উড়োজাহাজের নিরাপদ অবতরণ ব্যাহত হতে পারে
- 📌 বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য এয়ার কমোডর আসিফ ইকবাল জানান, বিমানবন্দরে আরও ৬০ জন আনসার নিযুক্ত করা হবে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চুরির ঘটনা দফায় দফায় ঘটছে। এতে রানওয়ের আলোকব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন নুর হোসেন জানান, রানওয়েতে চুরি হয়নি; বোট ক্লাবের কাছে দুটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, বৃষ্টির সময় ঘাস বড় হয়ে যাওয়ায় সেখানে চুরি হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। পরে ঘাস পরিষ্কার করে দুটি আনসার ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
বৈদ্যুতিক কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যারোনেসের সাইট ইঞ্জিনিয়ার আনিসুর রহমান জানান, রানওয়ে এলাকায় বারবার চুরির ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বিমানবন্দরে সিভিল এভিয়েশনের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী ১৫০, আনসার ২০০, এপিবিএন ১০৫ এবং বিমানবাহিনীর ১৮০ সদস্যসহ মোট ৬৩৫ জন দায়িত্ব পালন করছেন।
গত ২১ আগস্ট রাতে রানওয়ের ০৫ প্রান্ত থেকে একটি ট্রান্সফরমারসহ প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কিট কেব্ল চুরি হয়। একই সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় রানওয়ের ভূগর্ভস্থ কেব্ল, লাইট এবং লাইটের ফেজ ও লুপিংয়ের সরঞ্জাম। ২ সেপ্টেম্বর রাতে কার্গো ওয়্যারহাউসের পশ্চিম সীমানা থেকে রানওয়ের ০৫ প্রান্ত পর্যন্ত নিরাপত্তাবাতির প্রায় আধা কিলোমিটার কেব্ল কেটে নেওয়া হয়। এতে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা অন্ধকার হয়ে পড়ে। ওই দিন ভিওআর (ভিএইচএফ ওমনি-ডিরেকশনাল রেঞ্জ) এলাকার বৈদ্যুতিক সরঞ্জামও চুরি হয়।
"রানওয়ের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশেষ করে রাতে পর্যাপ্ত আলো ছাড়া উড়োজাহাজ অবতরণে সমস্যা হতে পারে। বৃষ্টি ও কুয়াশার সময়ও পর্যাপ্ত আলো গুরুত্বপূর্ণ। ফ্লাইট পরিচালনার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গ্রুপ ক্যাপ্টেন নুর হোসেন, আনিসুর রহমান, এয়ার কমোডর আসিফ ইকবাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫টি ট্রান্সফরমার, ৬৩৫ জন নিরাপত্তাকর্মী, ৬০ জন আনসার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!