📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভোলার মাদ্রাসায় দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত, বেঞ্চ-টেবিল বিক্রি ও অফিস ব্যবস্থাপনার অনিয়মে জড়িত দু’জন

ভোলার মাদ্রাসায় দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত, বেঞ্চ-টেবিল বিক্রি ও অফিস ব্যবস্থাপনার অনিয়মে জড়িত দু’জন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার একটি মাদ্রাসায় দু’জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বেঞ্চ ও টেবিল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অফিস ব্যবস্থাপনার অনিয়মও প্রকাশ পেয়েছে

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার কুতুবগঞ্জ মাজিদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় দু’জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির তোয়াক্কা না করে ছুটির দিনে বেঞ্চ ও টেবিল বিক্রি করা এবং অফিস ব্যবস্থাপনার অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার কুতুবগঞ্জ মাজিদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় কম্পিউটার শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর ও লাইব্রেরিয়ান মো. মহিবুলের বিরুদ্ধে বেঞ্চ ও টেবিল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির তোয়াক্কা না করে ৩৪টি হাই বেঞ্চ (১০০৫ টাকা করে) ও চারটি টেবিল (৭০০ টাকা করে) বিক্রি করা হয়েছে।
  • 📌 অফিস ব্যবস্থাপনার অনিয়মে সুপার ও অফিস সহকারীর অফিস কক্ষ নিচতলায় এবং শিক্ষকদের অফিস কক্ষ দোতলায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
  • 📌 তদন্ত কর্মকর্তা মো. নূর নবী সরেজমিনে তদন্ত করেছেন এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।
  • 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ জানান, তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📰 বিস্তারিত

মাদ্রাসার ইবতেদায়ি শাখার প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ারুল ইসলাম লিখিত অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে জানিয়েছেন, মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির তোয়াক্কা না করে ছুটির দিনে বেঞ্চ ও টেবিল বিক্রি করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারি বিধিবিধান মেনে অফিস ব্যবস্থাপনা করা হয়নি। সুপার ও অফিস সহকারীর অফিস কক্ষ নিচতলায় এবং শিক্ষকদের অফিস কক্ষ দোতলায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে, যা মাদ্রাসা পরিচালনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর ও লাইব্রেরিয়ান মো. মহিবুল দাবি করেছেন, টেবিল ও হাই বেঞ্চ বিক্রির জন্য মাদ্রাসার সুপার মাহাবুবা আক্তার পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছেন। ওই কমিটির প্রধান ছিলেন সহসুপার মাওলানা জামাল উদ্দিন। তারা দু’জনও ওই কমিটির সদস্য ছিলেন। লাইব্রেরিয়ান মহিবুল বলেছেন, ‘৩৪টি হাই বেঞ্চ ১০০৫ টাকা করে এবং চারটি টেবিল ৭০০ টাকা করে বিক্রি করা হয়েছে। এগুলো বিক্রির জন্য কমিটি করা হয়েছিল। আমরা বাইরে কিছুই জানি না।’

কিন্তু কমিটির প্রধান মাওলানা জামাল উদ্দিন ভিন্ন কথা বলছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি কমিটির প্রধান হলেও ওই দুই শিক্ষক আমাকে জানিয়েই ছুটির দিনে হাই বেঞ্চ ও টেবিলগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন।’ মাদ্রাসার সুপার মাহাবুবা আক্তার জানান, তিনি মানসিকভাবে ভালো না থাকায় টেবিল ও হাই বেঞ্চ বিক্রির বিষয়টি সহসুপারসহ শিক্ষকদের দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

তদন্ত কর্মকর্তা মো. নূর নবী বলেছেন, ‘তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের জন্য উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

"৩৪টি হাই বেঞ্চ ১০০৫ টাকা করে এবং চারটি টেবিল ৭০০ টাকা করে বিক্রি করা হয়েছে। এগুলো বিক্রির জন্য কমিটি করা হয়েছিল। আমরা বাইরে কিছুই জানি না।"
"আমি কমিটির প্রধান হলেও ওই দুই শিক্ষক আমাকে জানিয়েই ছুটির দিনে হাই বেঞ্চ ও টেবিলগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা, কুতুবগঞ্জ মাজিদিয়া দাখিল মাদ্রাসা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আনোয়ারুল ইসলাম, মো. জাহাঙ্গীর, মো. মহিবুল, মাওলানা জামাল উদ্দিন, মো. নূর নবী, রুমানা আফরোজ, মাহাবুবা আক্তার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন শিক্ষক, ৩৪টি হাই বেঞ্চ, ১০০৫ টাকা, ৪টি টেবিল, ৭০০ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖