📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁদের আলোয় হারিয়ে যাওয়া বাংলার পুঁথি পাঠের ঐতিহ্য ফিরে এল চাটমোহরে

চাঁদের আলোয় হারিয়ে যাওয়া বাংলার পুঁথি পাঠের ঐতিহ্য ফিরে এল চাটমোহরে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁদের আলো আর কুপি বাতির মায়াবী আলোয় চাটমোহরের সোনাহারপাড়া গ্রামে ফিরে এল শতাব্দী প্রাচীন পুঁথি পাঠের আসর। হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ সংস্কৃতির সাক্ষী হয়ে দাঁড়াল শত শত দর্শক-শ্রোতা

পাবনার চাটমোহর উপজেলার চলনবিল বিধৌত সোনাহারপাড়া গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে ফিরে এল শতাব্দী প্রাচীন বাংলার লোকজ সংস্কৃতি পুঁথি পাঠের আসর। পূর্ণিমার চাঁদের আলো আর হারিকেন-কুপির মৃদু আলোয় মুগ্ধ হয়ে উঠেছিল গ্রামবাংলার সেই ঐতিহ্যবাহী পরিবেশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁদের আলো আর কুপি-হারিকেনের আলোয় অনুষ্ঠিত হয় পুঁথি পাঠের আসর
  • 📌 চাটমোহর উপজেলার সোনাহারপাড়া গ্রামে আয়োজিত হয় এই সাংস্কৃতিক আয়োজন
  • 📌 ‘বিবি সোনাভান’ ও ‘গাজী কালু ও চম্পাবতী’ পুঁথি পাঠ করেন যথাক্রমে আসাদুজ্জামান দুলাল ও লইমুদ্দিন প্রামাণিক
  • 📌 আয়োজকেরা ছিলেন ডা. আতিকুর রহমান আতিক; অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিপ্লব আচার্য
  • 📌 ঢাকা থেকেও সংস্কৃতিপ্রেমীরা অংশ নেন এই ঐতিহ্যবাহী আসরে

📰 বিস্তারিত

চাঁদের আলোয় ভেসে যাওয়া গ্রামবাংলার নিস্তব্ধ রাত। চারপাশে শুধু আলো-আঁধারির খেলা। এমনই এক পরিবেশে চাটমোহর উপজেলার সোনাহারপাড়া গ্রামে ফিরে এল শতাব্দী প্রাচীন পুঁথি পাঠের ঐতিহ্য। চাটমোহর সদর থেকে চার কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত এই গ্রামে বৃহস্পতিবার রাত সোয়া নয়টায় শুরু হয় বিশেষ এই আয়োজন।

গ্রামের প্রয়াত কিতাব প্রামাণিকের বাড়ির উঠোনে আয়োজিত এই আসরে উপস্থিত ছিলেন শত শত দর্শক-শ্রোতা। শহরের কোলাহল ছেড়ে গ্রামের মানুষেরা নিজেদের হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতির সাক্ষী হতে এসেছিলেন। আয়োজক ডা. আতিকুর রহমান আতিক জানান, এই আয়োজন ছিল বাংলার মাটির আসল সৌন্দর্য তুলে ধরার প্রয়াস।

আসরের শুরুতে বিপ্লব আচার্যের সঞ্চালনায় মুখবন্ধ পাঠ করেন আয়োজক ডা. আতিকুর রহমান আতিক। এরপর শুরু হয় মূল পুঁথি পাঠ। ‘বিবি সোনাভান’ পুঁথি পাঠ করেন নব্বইয়ের দশকের নাট্যজন ও সংস্কৃতিকর্মী আসাদুজ্জামান দুলাল। অন্যদিকে ‘গাজী কালু ও চম্পাবতী’ পুঁথি পাঠ করেন লইমুদ্দিন প্রামাণিক। পাঠ শেষে তাঁদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

"ছোটবেলায় দাদা-দাদির মুখে গল্প শোনা পুঁথি পাঠের আসর স্বচক্ষে দেখে আমরা অভিভূত। যেন শিকড়ের সুরে ফিরে যাওয়ার এক আয়োজন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাটমোহর উপজেলার সোনাহারপাড়া গ্রাম, পাবনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসাদুজ্জামান দুলাল, লইমুদ্দিন প্রামাণিক, ডা. আতিকুর রহমান আতিক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: অনুষ্ঠান শুরু রাত সোয়া নয়টা, শেষ রাত সোয়া দশটা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖