📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁদপুরে জেলেদের ১১ টন চালের গোপন বিক্রি: প্রশাসন জব্দ করে তদন্তে কমিটি গঠন

চাঁদপুরে জেলেদের ১১ টন চালের গোপন বিক্রি: প্রশাসন জব্দ করে তদন্তে কমিটি গঠন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁদপুরে মা ইলিশ সংরক্ষণে চাল বরাদ্দের ১১ টন চালের গোপন বিক্রির অভিযোগে প্রশাসন জব্দ করে। স্থানীয় ইউনিয়ন কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে এবং তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে

চাঁদপুর সদর উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণে জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা ১১ টন চালের গোপন বিক্রির অভিযোগে প্রশাসন জব্দ করে। অভিযানের সময় ইউনিয়ন পরিষদের একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের ৪ হাজার ৯৭০ জন জেলের জন্য বরাদ্দ ১১ টন চালের গোপন বিক্রির অভিযোগে প্রশাসন জব্দ করে।
  • 📌 জব্দকৃত চালের পরিবহনের দায়িত্বে থাকা পিকআপচালক শাহাদাত জানান, চালের কোনো মালিকের নাম জানানো হয়নি।
  • 📌 লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা শামীমের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়, তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
  • 📌 সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাশেম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালগুলো জব্দ করা হয়েছে।
  • 📌 তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

মা ইলিশ সংরক্ষণের সময়ে জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা প্রায় ১১ টন চালের গোপন বিক্রির অভিযোগে চাঁদপুর শহরের বিপণীবাগ বাজার এলাকা থেকে রোববার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে প্রশাসন চালগুলো জব্দ করেছে। সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যয় হাশেমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়।

সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ সময়ে জেলেদের খাদ্যসহায়তা হিসেবে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের ৪ হাজার ৯৭০ জন জেলের জন্য বরাদ্দ ছিল ১১ টন চাল। তবে নির্ধারিত সময়ে চাল বিতরণ করা হয়নি।

জব্দকৃত চালের পরিবহনের দায়িত্বে থাকা পিকআপচালক শাহাদাত জানান, চাঁদপুর সিএসডি গোডাউন থেকে চালগুলো কুমিল্লার লাকসামে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল। তবে তাঁকে চালের কোনো মালিকের নাম জানানো হয়নি। পথিমধ্যে হাজীগঞ্জ এলাকায় পৌঁছানোর পর চালগুলো ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ফোন পান তিনি। চাল বিক্রির টোকেনে ৪ হাজার ৯৩০ কেজি লেখা থাকলেও সেখানে কোনো মালিকের নাম উল্লেখ ছিল না।

অভিযানের বিষয়ে সহকারী কমিশনার প্রত্যয় হাশেম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চালগুলো জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, চালগুলো লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের জেলেদের জন্য বরাদ্দ ছিল এবং এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। পুরো বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএমএন জামিউল হিকমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনে কথা না বলে বার্তা পাঠিয়ে জানান, চালগুলো সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হবে। তবে বিতরণে কেন বিলম্ব হলো, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

"চালগুলো সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হবে" — সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএমএন জামিউল হিকমা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁদপুর সদর উপজেলা, লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন, চাঁদপুর শহর, কুমিল্লা লাকসাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী কমিশনার প্রত্যয় হাশেম, মো. মিজানুর রহমান, পিকআপচালক শাহাদাত, গোলাম মোস্তফা শামীম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হিকমা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ টন চাল, ৪ হাজার ৯৭০ জন জেলা, ২২ দিন, ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖