📌 কক্সবাজার রুটের পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা নিয়মিত ঘটে। এতে যাত্রীরা আহত হন ও ট্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রেলওয়ে সিসি ক্যামেরা বসিয়ে জালিয়াতদের শনাক্ত করার পরীক্ষা শুরু করেছে। তবে প্রথম বগির এসি কাজ না করায় বগিটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে
কক্সবাজার রুটের পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা নিয়মিত ঘটে। এতে যাত্রীরা আহত হন ও ট্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সমস্যা সমাধানের জন্য রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম সিসি ক্যামেরা বসিয়ে পাথর নিক্ষেপের জালিয়াতদের শনাক্ত করার পরীক্ষা শুরু করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে।
- 📌 প্রথম পরীক্ষামূলক বগির এসি কাজ না করায় বগিটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, নতুন বগিতে ক্যামেরা লাগানো হবে।
- 📌 ৭০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলার সময় ক্যামেরার ফুটেজের মান যাচাই করা হবে।
- 📌 চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে প্রতিদিন চার জোড়া ট্রেন চলাচল করে, যার মধ্যে দু’জোড়া ঢাকা থেকে ও দু’জোড়া চট্টগ্রাম থেকে যায়।
- 📌 রেলওয়ে আইন ১৮৯০ এর ১২৭ ধারা অনুযায়ী, পাথর নিক্ষেপের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বনিম্ন ১০ বছরের সাজা দিতে পারে।
📰 বিস্তারিত
পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি এসি বগির উভয় পাশে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম জানান, “চলন্ত অবস্থায় কেমন ডাটা কালেক্ট করতে পারে এবং রেটিং কেমন সেটা আগে দেখতে চাই।” তিনি বলেন, “৭০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলার সময় ছবি কতটা ভাল আসে সেটা যাচাই করে দেখা হবে। ভালো ফল পেলে অন্য ট্রেনেও সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে।”
তবে রোববার সেই বগির এসি কাজ না করায় বগিটি সরিয়ে নেওয়া হয়। মহাব্যবস্থাপক জানান, “কোচটি ডেমেজ হয়েছে। এসি কাজ করছে না। তাই অন্য আরেকটি কোচে সিসি ক্যামেরা সংযোজন করা হবে।”
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা প্রায় নিয়মিত ঘটে। এতে যাত্রীরা আহত হন ও ট্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রেলওয়ে নিয়মিত প্রচার চালিয়েও এই ঘটনাগুলো বন্ধ করা যায়নি।
"পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি এসি বগিতে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। চলন্ত অবস্থায় কেমন ডাটা কালেক্ট করতে পারে এবং রেটিং কেমন সেটা আগে দেখতে চাই।"
মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “তবে রোববার ওই এসি বগিটির শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ‘কাজ না করায়’ বগিটি সরিয়ে নেওয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোচটি ডেমেজ হয়েছে। এসি কাজ করছে না। তাই অন্য আরেকটি কোচে সিসি ক্যামেরা সংযোজন করা হবে।’"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ কিলোমিটার (ট্রেনের বেগ), ১২৭ ধারা (রেলওয়ে আইন), ১০ বছর (সাজা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!