📌 বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন কেয়ার বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল। ১৯৪৯ সাল থেকে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখা এই সংস্থার বর্তমান ও ভবিষ্যত কার্যক্রম আলোচিত হয়
বঙ্গভবনে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন কেয়ার বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল। গত মঙ্গলবার এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কেয়ার বাংলাদেশের দীর্ঘকালীন অবদান ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা আলোচিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি আলমগীর কেয়ার বাংলাদেশের দীর্ঘকালীন উন্নয়ন কাজের প্রশংসা করেন এবং সংস্থার কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করার আহ্বান জানান।
- 📌 প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন আর্ল আর. মিলার (সাবেক যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ও কেয়ার বাংলাদেশের সিনিয়র স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজার) এবং রাম দাস (কান্ট্রি ডিরেক্টর)।
- 📌 কেয়ার বাংলাদেশ ১৯৪৯ সাল থেকে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে, যার মধ্যে রয়েছে ৮৫ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ এবং মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী পুনর্গঠনে সহায়তা।
- 📌 সংস্থাটি বর্তমানে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারী অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে।
- 📌 রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম জানান, সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
গত বুধবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎের মাধ্যমে কেয়ার বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে আলোচনা করেন। সাক্ষাৎকালে কেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাম দাস বাংলাদেশে সংস্থার পথচলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, কেয়ার বাংলাদেশ ১৯৪৯ সাল থেকে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে। মুক্তিযুদ্ধের পর দেশ পুনর্গঠনে সংস্থাটি ৮৫ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ এবং হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে।
রাম দাস আরও জানান, পরবর্তী সাত দশকে কেয়ার বাংলাদেশের কাজের পরিধি বিস্তৃত হয়। সংস্থাটি খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষি, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, শিক্ষা, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, দুর্যোগ প্রস্তুতি, জলবায়ু সহনশীলতা এবং তৈরি পোশাক খাতে নারী শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে। তিনি বলেন, আগামী দিনগুলোয় কেয়ার কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা, যুব দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরি এবং জলবায়ু সহনশীলতায় বিশেষ গুরুত্ব দেবে।
রাষ্ট্রপতি আলমগীর কেয়ার বাংলাদেশের দীর্ঘকালীন অবদানের প্রশংসা করেন এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সংস্থাটির কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, কেয়ার বাংলাদেশ একটি পরিচিত নাম এবং আগামী দিনগুলোয় সংস্থাটির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
"বাংলাদেশে কেয়ার বাংলাদেশের দীর্ঘকালীন অবদান অসাধারণ। আমরা আশা করি, সংস্থাটি আগামী দিনগুলোয় আরও বেশি মানুষের জীবন উন্নত করতে পারবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রাম দাস, আর্ল আর. মিলার, মো. সরওয়ার আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫ হাজার কিলোমিটার (গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!