📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিআরটিএর নতুন নিয়মে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার দু’ধাপে সহজ প্রক্রিয়া, জেনে নিন ফি ও কাগজপত্রের তালিকা

বিআরটিএর নতুন নিয়মে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার দু’ধাপে সহজ প্রক্রিয়া, জেনে নিন ফি ও কাগজপত্রের তালিকা

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আমাদের সময় ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করেছে। শিক্ষানবিশ লাইসেন্স থেকে শুরু করে চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদন মাত্র দু’ধাপে সম্পন্ন করা যাবে। ফি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের বিস্তারিত জানুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও প্রক্রিয়াজাত করেছে। এখন থেকে শিক্ষানবিশ লাইসেন্স থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন মাত্র দু’ধাপে সম্পন্ন করা যাবে। বিআরটিএর সেবা পোর্টাল (বিএসপি) মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন ও ফি পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদন থেকে শুরু করে চূড়ান্ত লাইসেন্সের জন্য মাত্র দু’ধাপে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।
  • 📌 প্রথম ধাপে শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের জন্য ৫১৮ টাকা (এক ক্যাটাগরি) ও ৭৪৮ টাকা (দুই ক্যাটাগরি) ফি দিতে হবে।
  • 📌 চূড়ান্ত লাইসেন্সের জন্য অপেশাদার লাইসেন্সে ৪ হাজার ৬২৮ টাকা ও পেশাদার লাইসেন্সে ২ হাজার ৮৩২ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • 📌 পেশাদার লাইসেন্সের আবেদনকারীদের ডোপ টেস্টের সনদ জমা দিতে হবে।
  • 📌 অনলাইন পেমেন্ট করার সময় অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।

📰 বিস্তারিত

বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রথম ধাপ হলো শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স সংগ্রহ করা। এই ধাপে আবেদনকারীরা প্রথমে বিআরটিএর সেবা পোর্টাল (বিএসপি)-এ একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীদের চিকিৎসা সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইউটিলিটি বিল ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ নথিপত্র জমা দিতে হবে।

শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পাওয়ার পর আবেদনকারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে। দ্বিতীয় ধাপে চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদন ও ফি পরিশোধের জন্য আবেদনকারীদের বিআরটিএর সেবা পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীদের ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। আবেদন অনুমোদিত হলে আবেদনকারী ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন। অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে বলে সংস্থাটি সতর্ক করেছে।

"ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজতর করার উদ্দেশ্যে বিআরটিএ দু’ধাপে প্রক্রিয়া চালু করেছে। শিক্ষানবিশ লাইসেন্স থেকে শুরু করে চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদন অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বিআরটিএ সেবা পোর্টাল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনকারী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১৮ টাকা (এক ক্যাটাগরি শিক্ষানবিশ লাইসেন্স), ৭৪৮ টাকা (দুই ক্যাটাগরি শিক্ষানবিশ লাইসেন্স), ৪ হাজার ৬২৮ টাকা (অপেশাদার লাইসেন্স), ২ হাজার ৮৩২ টাকা (পেশাদার লাইসেন্স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖