📌 বাংলাদেশে জাতীয় বৃক্ষমেলায় এবছর ১৬ লাখ উদ্ভিদ বিক্রি হয়, যার মধ্যে ৮০-৮৫% ছিল বাগানবিলাসের উদ্ভিদ। ঢাকার নাগরিকদের ৯০% সন্তুষ্টি পেয়েছেন ছাদবাগান ও বারান্দা সাজানোর গাছপালা কিনে। বন বিভাগের উদ্যোগে ১৯৯৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এই মেলা এখন উদ্ভিদ উৎসবে পরিণত হয়েছে
বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষমেলা এখন আর শুধু বৃক্ষের মেলা নয় — এটি একটি বৃহৎ উদ্ভিদ উৎসবে রূপান্তরিত হয়েছে। ঢাকার নাগরিকদের পছন্দের বাগানবিলাসের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এই মেলা, যেখানে ১৬ লাখ উদ্ভিদ বিক্রি হয়। বন বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, এবছর মেলায় বিক্রিত উদ্ভিদের মূল্য ১৬ কোটি টাকা। তবে অধিকাংশ ক্রেতা বাগান সাজানোর উদ্ভিদ কিনছেন, যা মোট বিক্রিত উদ্ভিদের ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৬ লাখ উদ্ভিদ বিক্রি: এবছর জাতীয় বৃক্ষমেলায় ১৬ লাখ উদ্ভিদ বিক্রি হয়, যার মূল্য ১৬ কোটি টাকা। গত বছরের তুলনায় ১ লাখ উদ্ভিদ বেশি বিক্রি হয়েছে।
- 📌 ৮০-৮৫% বাগানবিলাসের উদ্ভিদ: মেলায় বিক্রিত উদ্ভিদের অধিকাংশই ছিল ছাদবাগান ও বারান্দা সাজানোর উদ্ভিদ। বন বিভাগের হিসাবে মোট বিক্রিত উদ্ভিদের মধ্যে বৃক্ষের অনুপাত কম।
- 📌 ৯০% ঢাকার নারী নাগরিক: মেলায় আগতদের মধ্যে ৯০% ঢাকার বাসিন্দা, যার মধ্যে ৬০% নারী। তাদের অধিকাংশেরই ছাদ বা ঘরের ভেতরে বাগান রয়েছে।
- 📌 ৭৪টি স্টল অংশগ্রহণ: এবছর মেলায় ৭৪টি প্রতিষ্ঠান ও নার্সারি অংশ নিয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ প্রদর্শিত ও বিক্রি হয়েছে।
- 📌 ১৯৯৪ সাল থেকে শুরু: বাংলাদেশে জাতীয় বৃক্ষমেলা ১৯৯৪ সাল থেকে বন বিভাগের উদ্যোগে শুরু হয়। ১৯৯১ সালের ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে গাজীপুরের শালনা গ্রামে প্রথম গাছ রোপণের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের সূচনা হয়।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষমেলা এখন একটি বৃহৎ উদ্ভিদ উৎসবে পরিণত হয়েছে। এই মেলায় প্রতি বছর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বন বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, এবছর মেলায় ১৬ লাখ উদ্ভিদ বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ ছিল বাগানবিলাসের উদ্ভিদ। গত বছরের তুলনায় এবছর ১ লাখ উদ্ভিদ বেশি বিক্রি হয়েছে। মেলায় অংশগ্রহণকারী ৭৪টি স্টল থেকে বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ বিক্রি হয়েছে।
মেলায় আগতদের মধ্যে ৯০ শতাংশ ঢাকার বাসিন্দা, যার মধ্যে ৬০ শতাংশ নারী। তাদের অধিকাংশেরই ছাদ বা ঘরের ভেতরে বাগান রয়েছে। নগর কৃষি ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত একটি জরিপে দেখা গেছে, মেলায় আগতদের প্রায় ৯০ শতাংশই তাদের পছন্দের চারাটি পেয়ে সন্তুষ্টি পেয়েছেন। তারা বলেছেন, বছরের বিভিন্ন সময়ে বিশেষ বিশেষ উদ্ভিদের মেলা হতে পারে, যেমন অন্দরবাগানের উদ্ভিদের মেলা, গোলাপ ও অর্কিডের মেলা, বাগানবিলাসের মেলা ইত্যাদি।
বন বিভাগের উদ্যোগে ১৯৯৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এই মেলা ১৯৯১ সালের ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে গাজীপুরের শালনা গ্রামে প্রথম গাছ রোপণের মাধ্যমে শুরু হয়। পরবর্তীকালে তা সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেয়। প্রতিবছর এই মেলায় উদ্ভিদ রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
"বৃক্ষরোপণ অভিযানকে জোরদার করতে বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ রোপণকে গুরুত্ব দিতেই বৃক্ষমেলা নাম দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে মেলায় যে ১৬ লাখ চারা বিক্রি হয়েছে, সঠিক জরিপ করলে দেখা যাবে এর ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই বৃক্ষ নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আগারগাঁও, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ঢাকার নারী নাগরিক (৬০%), মেলা আগত (২০০ জন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ লাখ উদ্ভিদ, ১৬ কোটি টাকা, ৭৪টি স্টল, ৮০-৮৫% বাগানবিলাসের উদ্ভিদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!