📌 গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে গ্রামবাসীরা ড্রেজার আটক করে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে মালিকদের দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। নদীভাঙনের কারণে বসতভিটা ও জমি বিপদে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদীর অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে স্থানীয় বাসিন্দারা আজ শনিবার সকালে নদীতে গিয়ে একটি ড্রেজার ও নৌকা আটক করে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ড্রেজার ও নৌকার মালিকদের দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করছেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীভাঙন শুরু হয়েছে এবং তাদের বসতভিটা ও জমি বিপদে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব খোলাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দারা আজ শনিবার ড্রেজার ও নৌকা আটক করে।
- 📌 ড্রেজার মালিক মিলন মিয়া ও নৌকার মালিক হেলোয়ার হোসেনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার মুচলেকা নেওয়া হয়।
- 📌 নদীভাঙনের কারণে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব খোলাবাড়ী ও উড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর উড়িয়া গ্রামের বাসতভিটা, ফসলি জমি ও স্থাপনাগুলো বিপদে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অপরাধে জরিমানা করা হয়েছে।
- 📌 বাসিন্দারা বলেন, বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে তাদের বসতভিটা ও জমি রক্ষা করা সম্ভব নয়।
📰 বিস্তারিত
কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালু জানান, নদী থেকে বালু উত্তোলনের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে এবং নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ‘বালু উত্তোলন বন্ধ ও নিজেদের বসতভিটা, ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে আমরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ এবং মানববন্ধন করেছি। কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় আজ সকালে আমরা একত্রিত হয়ে নদীতে যাই। একপর্যায়ে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি ড্রেজার ও একটি নৌকা আটক করি।’
পূর্ব খোলাবাড়ীর বাসিন্দা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘নদীর পাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে। বালু তোলা বন্ধ না হলে আমাদের বসতভিটা ও জমি রক্ষা করা কঠিন হবে। নিজেদের ঘরবাড়ি ও জমি রক্ষার জন্যই আমরা নদীতে গিয়ে ড্রেজার আটক করেছি।’
ওমর আলী বলেন, ‘নদী ভাঙতে ভাঙতে আমাদের শেষ সম্বলটুকু যদি চলে যায়, তাহলে কোথায় যাব? বালু উত্তোলন বন্ধ করে নদীভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’
"বালু উত্তোলন বন্ধ ও নিজেদের বসতভিটা, ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে আমরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ এবং মানববন্ধন করেছি। কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় আজ সকালে আমরা একত্রিত হয়ে নদীতে যাই। একপর্যায়ে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি ড্রেজার ও একটি নৌকা আটক করি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা, কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন, পূর্ব খোলাবাড়ী গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিলন মিয়া, হেলোয়ার হোসেন, আবুল হোসেন, আব্দুর রশিদ, ওমর আলী, সোহেল রানা শালু, মোস্তাফিজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই লাখ টাকা জরিমানা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!