📌 কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্রের তীররক্ষা বাঁধে ৪০ মিটার অংশ ধসে পড়ায় এলাকাবাসীর জীবন হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়রা আতঙ্কিত, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীররক্ষা বাঁধে আবারও ধসের ঘটনা ঘটেছে। রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকল কেডিওয়ারী এলাকায় বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, যা বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও স্থানীয় সড়ককে হুমকির মুখে ফেলেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, যেকোনো সময় আরও অংশ ভেঙে পড়তে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্রের তীররক্ষা বাঁধের ৪০ মিটার অংশ ধসে পড়েছে
- 📌 ধসের কারণে বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও স্থানীয় সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল করিম বলেছেন, রাতেই বিকট শব্দে বাঁধ ভেঙে গিয়েছে
- 📌 পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেছেন, ৪.১ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার জন্য ডিপিপি দাখিল করা হয়েছে
- 📌 সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি অধ্যাপক ফজলুল হক বলেছেন, জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, ধসে যাওয়া অংশের পাশ দিয়ে তীব্র স্রোতে নদীর পানি আছড়ে পড়ছে। বাঁধের বিভিন্ন স্থানে বড়ো বড়ো ফাটল তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং তাদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় আরও অংশ ভেঙে পড়তে পারে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিকট শব্দে বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে যায়।
খবর পেয়ে শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি দল। সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি অধ্যাপক ফজলুল হক বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, ‘কাঁচকল কেডিওয়ারী এলাকার ৪.১ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ তীর সংরক্ষণের জন্য একটি ডিপিপি দাখিল করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন ও বাস্তবায়ন হলে দীর্ঘমেয়াদে এই ভাঙন সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি।’
"রাতেই বিকট শব্দে বাঁধ ভেঙে নদীতে চলে যায়। এখন আমাদের বাড়িঘর নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন, কাঁচকল কেডিওয়ারী এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল করিম, অধ্যাপক ফজলুল হক, মো. রাকিবুল হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ মিটার (ধসের অংশ), ৪.১ কিলোমিটার (ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা), ২৫ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!