📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার দু'জন যুবক সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র পাননি। পুলিশ ও গোয়েন্দা যাচাইয়ে ইতিবাচক প্রতিবেদন থাকা সত্ত্বেও তাদের নিয়োগ বাতিলের কারণ জানানো হয়নি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, ২৫৫ জন সুপারিশপ্রাপ্তের মধ্যে ২৪০ জন নিয়োগ পেয়েছেন, বাকি দু'জনকে ত্রুটি দেখিয়ে বাদ দেওয়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলায় দু'জন যুবক সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র পাননি। তাদের নিয়োগ বাতিলের কারণ জানানো হয়নি। রুবেল মিয়া (৩১) এবং যোবায়েরুল ইসলাম (৩১ বছর ৬ মাস) উভয়েই পুলিশ ও গোয়েন্দা যাচাইয়ে ইতিবাচক প্রতিবেদন পেয়েছেন, কিন্তু নিয়োগপত্র পাননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার রুবেল মিয়া (৩১) ও যোবায়েরুল ইসলাম (৩১ বছর ৬ মাস) উভয়েই প্রাথমিক শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র পাননি
- 📌 ২৫৫ জন সুপারিশপ্রাপ্তের মধ্যে ২৪০ জন নিয়োগ পেয়েছেন, বাকি ১৩ জন কাগজপত্র জমা দেননি, আর ২ জনকে ত্রুটি দেখিয়ে বাদ দেওয়া হয়েছে
- 📌 দু'জনই পুলিশ ও গোয়েন্দা যাচাইয়ে ইতিবাচক প্রতিবেদন পেয়েছেন, কিন্তু নিয়োগ বাতিলের কারণ জানানো হয়নি
- 📌 জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুর রহমান বলেন, নিয়োগের চূড়ান্ত নির্দেশনা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে আসে
- 📌 রুবেল মিয়া বলেন, ‘চাকরিটা পেলে বাবাসহ সংসারের উপকার হতো। পরিবারের জন্য কিছু করতে পারতাম’
📰 বিস্তারিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সাতঘরহাটি গ্রামের রুবেল মিয়া (৩১) বাবা পেশায় কৃষক এবং মা হৃদ্রোগে আক্রান্ত। কৃষিকাজ করে বাবা চার ছেলেমেয়েকে বড় করেছেন। রুবেল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন। সব ধাপ পেরিয়ে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্তও হন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিয়োগপত্র পাননি তিনি।
রুবেলের মতো নবীনগর পৌর এলাকার কলেজপাড়ার যোবায়েরুল ইসলামও (৩১ বছর ৬ মাস) প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র পাননি। দুজনই পুলিশ ভেরিফিকেশন ও গোয়েন্দা যাচাইয়ে ইতিবাচক প্রতিবেদন পেয়েছেন। তবে তাদের নিয়োগ বাতিলের কারণ জানানো হয়নি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, জেলায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে ২৫৫ জন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৩ জন নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি। ২৪০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। দুজন বাদ পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাঁদের নিয়োগপত্র পাওয়ার বিষয়ে চেষ্টা চলছে। তবে নিয়োগের চূড়ান্ত নির্দেশনা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে আসে।’
রুবেল মিয়া বলেন, ‘চাকরিটা পেলে বাবাসহ সংসারের উপকার হতো। পরিবারটি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। আমি তাবলিগের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ ভেরিফিকেশন ও গোয়েন্দা যাচাইয়ে ইতিবাচক প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এরপরও নিয়োগপত্র না পাওয়ার কারণ জানতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরছি।’
যোবায়েরুল ইসলাম বলেন, ‘দুই ভাই শিক্ষক হওয়ায় আমারও শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন তৈরি হয়। সেই স্বপ্ন নিয়ে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রতিটি ধাপ অতিক্রম করেছি। চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ফল প্রকাশের পর সুপারিশপ্রাপ্ত হন। কিন্তু নিয়োগপত্র না পাওয়ায় হতাশ।’
"চাকরিটা পেলে বাবাসহ সংসারের উপকার হতো। পরিবারের জন্য কিছু করতে পারতাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা, নবীনগর উপজেলা, সাতঘরহাটি গ্রাম ও কলেজপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুবেল মিয়া (৩১), যোবায়েরুল ইসলাম (৩১ বছর ৬ মাস), শামসুর রহমান (জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫৫ জন সুপারিশপ্রাপ্ত, ২৪০ জন নিয়োগ পেয়েছেন, ১৩ জন কাগজপত্র জমা দেননি, ২ জন বাদ পড়েছেন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!