📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে হত্যা ও পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে হত্যা ও পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে তোলপাড়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে রোগীর মৃত্যু ও ভাঙচুরের ঘটনায় পরিচালকসহ সব কর্মকর্তা পালিয়ে গেছেন। পালিয়ে যাওয়া ৪০ রোগীর কোনো খোঁজ নেই। হত্যার অভিযোগ তুলেছেন মৃত রোগীর স্বজনরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিতর্কিত মাদক নিরাময় কেন্দ্র ‘প্রয়াসে’ এক রোগীর মৃত্যু ও পরবর্তীতে ভাঙচুরের ঘটনায় পরিচালকসহ সব কর্মকর্তা পালিয়ে গেছেন। পালিয়ে যাওয়া ৪০ জন রোগীর কোনো খোঁজখবর পাওয়া যাচ্ছে না বলে কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাদক নিরাময় কেন্দ্র ‘প্রয়াসে’ এক রোগীর মৃত্যু ও ভাঙচুরের ঘটনায় পরিচালকসহ কর্মকর্তারা পালিয়ে গেছেন
  • 📌 পালিয়ে যাওয়া ৪০ জন রোগীর কোনো খোঁজ নেই বলে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে
  • 📌 মৃত রোগীর স্বজনরা হত্যার অভিযোগ তুলে আদালতে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন
  • 📌 কেন্দ্রটির পরিচালক প্রমোদ বর্মণ দাবি করেছেন, রোগীদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে
  • 📌 পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ কোনো জিডি করেনি, শুধু অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

গত মঙ্গলবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মাদক নিরাময় কেন্দ্র ‘প্রয়াসে’ চিকিৎসাধীন মো. ফোরকান (২৯) নামের এক রোগীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে পরিচালকদের বিরুদ্ধে। পরদিন দুপুরে এলাকাবাসীর ভাঙচুরের ঘটনায় কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যান ৪০ জন রোগী। কেন্দ্রটির পরিচালক প্রমোদ বর্মণ দাবি করেন, ফোরকান অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে মৃত রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, তাঁকে নির্যাতনের পর বিনা চিকিৎসায় হত্যা করা হয়েছে।

পালিয়ে যাওয়া চারজন রোগীর সঙ্গে কথা বলে প্রতিবেদক জানতে পেরেছেন, তাঁদেরও কেন্দ্রে নির্যাতন করা হতো। তাঁরা জানান, পালানোর আগে তাঁদের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রটিতে কোনো মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসক বা নার্স না থাকার অভিযোগও তাঁদের। পরিচালক প্রমোদ বর্মণ জানান, কেন্দ্রের মূল মালিক ইকরামুল হক ওরফে রুবেল। তিনি দাবি করেন, রোগীদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় থানায় একটি জিডি করা হয়েছে বলে শুনেছেন। তবে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ কোনো জিডি করেনি।

মৃত রোগী ফোরকানের ভগ্নিপতি ইমন হোসেন জানান, পালিয়ে যাওয়া রোগীদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রটির পরিচালকেরা প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশ ও প্রশাসনকে প্রভাবিত করছেন। এ কারণে তাঁরা আদালতে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম জানান, ফোরকানের মৃত্যুতে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে, তবে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

"মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যাওয়া কয়েকজন রোগীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে। তাঁরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আমাদের দিয়েছেন। নির্যাতনের পর কোনো চিকিৎসা না দিয়েই তাঁর শ্যালককে হত্যা করা হয়েছে। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের ফোরকানের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে এমন বক্তব্য দেওয়ার জন্য বলেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইকরামুল হক ওরফে রুবেল (মাদক নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক), মো. ফোরকান (২৯) (নিহত রোগী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ জন (পালিয়ে যাওয়া রোগী), ২৯ বছর (ফোরকানের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖