📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাচক গেদু মিয়া: রবীন্দ্রনাথের রান্নাঘরে মুসলমান হিসেবে অদ্ভুত সফর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাচক গেদু মিয়া: রবীন্দ্রনাথের রান্নাঘরে মুসলমান হিসেবে অদ্ভুত সফর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাচক গেদু মিয়া (আবদুন নূর) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রান্নাঘরে মুসলমান হিসেবে কাজ করার অনন্য গল্প শেয়েছেন। ২০২৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তার জীবনকাহিনি প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছিল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাচক গেদু মিয়া (আবদুন নূর) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রান্নাঘরে মুসলমান হিসেবে কাজ করার অনন্য স্মৃতি নিয়ে এসেছেন। ২০২৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তার জীবনকাহিনি ‘রবীন্দ্রনাথের রান্নাঘরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাচক’ শিরোনামে ২০১২ সালের ১১ মে প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাচক গেদু মিয়া (আবদুন নূর) ২০২৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেছেন।
  • 📌 তিনি ১৯৩৯ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাবুর্চি হিসেবে কাজ করেছিলেন।
  • 📌 গেদু মিয়া মুসলমান হলেও রবীন্দ্রনাথের কাছে নিজের ধর্ম গোপন রাখতে বলা হয়েছিল।
  • 📌 তিনি বলেছিলেন, ‘আমি বাঙালি, রবীন্দ্রনাথের ধর্ম তোমার ধর্ম’ বলে পরিচয় দিতে বলা হয়েছিল।
  • 📌 গেদু মিয়া ১৪ বছর বয়সে কলকাতায় আসেন এবং ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেট জর্জ গ্রেগরির মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথের সাথে পরিচিত হন।

📰 বিস্তারিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শাহবাজপুরের মিঞাহাটি (বর্তমান সরাইল উপজেলা) থেকে আসা গেদু মিয়া দারিদ্র্যের সংসারে বেড়ে ওঠেন। ১৯৩০ বা ১৯৩১ সালে তিনি কলকাতায় আসেন এবং ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেট জর্জ গ্রেগরির কাছে রান্নাবান্নার কাজ শিখেন। গ্রেগরির স্ত্রী তাকে মসলাবিহীন সেদ্ধ খাবার রাঁধাবাড়ার কাজ শিখিয়ে দেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হজমশক্তির সমস্যা থাকায় গ্রেগরি তাকে রবীন্দ্রনাথের কাছে পাঠান।

গেদু মিয়া স্মরণ করছেন, ‘রবীন্দ্রনাথ আমাকে দেখে বললেন, “শোনো গেদু মিয়া, আমার কাছে জাতপাত বলে কিছু নেই। কিন্তু আমার রান্নাঘরে আরও দুজন বাবুর্চি আছে—একজন ব্রাহ্মণ, অন্যজন উড়িয়া। ওরা এখন থেকে আমার পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য রান্না করবে। আর তুমি বিশেষভাবে আমার জন্য রান্না করবে। তবে খুব সাবধানে থাকবে, ব্রাহ্মণ ও উড়িয়া পাচক দুজনের কাছে নিজের পরিচয় গোপন রাখবে। বলবে, তুমি বাঙালি, রবীন্দ্রনাথের ধর্ম তোমার ধর্ম।”

১৯৩৯ সালের অক্টোবর মাসে গ্রেগরি গাড়িতে করে গেদু মিয়াকে শান্তিনিকেতনে নিয়ে যান। রবীন্দ্রনাথের মুখোমুখি হওয়ার পর তিনি বলেন, ‘আমি তো ভয়ে জবুথবু।’ গেদু মিয়া দুবছর রবীন্দ্রনাথের সান্নিধ্যে ছিলেন। কিন্তু ১৯৪০ সালের পর রবীন্দ্রনাথের অসুস্থতা বাড়ার সাথে সাথে তাকে ছাড়তে হয়।

"গেদু (‘মিয়া’ বলতেন না ইচ্ছে করেই), আমার তো দিন শেষ। আমি এখন পুরোপুরি ডাক্তারের কবলে। আমার অনিচ্ছা সত্ত্বেও তোমাকে বিদায় দিতে হচ্ছে। উড়িয়া এবং ব্রাহ্মণ পাঁচক দুজনকেও একই কারণে বিদায় দিতে হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া (শাহবাজপুরের মিঞাহাটি, বর্তমান সরাইল উপজেলা), কলকাতা, শান্তিনিকেতন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গেদু মিয়া (আবদুন নূর), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জর্জ গ্রেগরি, ওয়াহিদুল হক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর বয়সে কলকাতায় আসেন, ১৯৩৯-১৯৪০ সাল পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথের বাবুর্চি ছিলেন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖