📌 বোরহানউদ্দিন উপজেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে মা ইলিশ শিকার ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, তেঁতুলিয়া নদীতে অবাধে মাছ ধরা হচ্ছে এবং তিনটি মাছঘাটে প্রকাশ্যে বিক্রি করা হচ্ছে। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে এই অবৈধ কার্যকলাপ দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে বাধা সৃষ্টি করছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে
বোরহানউদ্দিন উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে মা ইলিশ শিকার ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীনও নদীতে অবাধে মা ইলিশ ধরা হচ্ছে এবং তিনটি মাছঘাটে এ মাছ প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে। এতে ইলিশের প্রজনন মৌসুমে দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বোরহানউদ্দিন উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ শিকার ও বিক্রির নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ
- 📌 গঙ্গাপুর ইউনিয়নের জয়া বেড়িবাঁধের মাথা, জয়ার খাল ও নয়নের খাল মাছঘাটে প্রকাশ্যে মা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে
- 📌 ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ শিকার ও বিক্রির ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল
- 📌 স্থানীয়রা দাবি করছেন, প্রভাবশালী চক্রের কারণে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না
- 📌 মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে অবৈধ শিকার ও বিক্রি দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে বাধা সৃষ্টি করছে
📰 বিস্তারিত
বোরহানউদ্দিন উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ শিকার ও বিক্রির নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। তারা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীনও নদীতে অবাধে মা ইলিশ শিকার করা হচ্ছে এবং শিকারের পর এ মাছ তিনটি মাছঘাটে এনে প্রকাশ্যে বিক্রি করা হচ্ছে। অভিযোগে উল্লেখিত মাছঘাটগুলো হলো গঙ্গাপুর ইউনিয়নের জয়া বেড়িবাঁধের মাথা, জয়ার খাল ও নয়নের খাল। স্থানীয়রা দাবি করছেন, এসব মাছঘাটে মাছ কেনাবেচা ও সরবরাহের সঙ্গে কিছু অসাধু জেলে ও ব্যবসায়ী জড়িত।
চলতি অর্থবছরে (২০২৬-২৭) মা ইলিশ সংরক্ষণ কর্মসূচির আওতায় ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিনের জন্য মা ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার লক্ষ্য ছিলো মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখা এবং ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়ানো। তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করা হচ্ছে এবং প্রভাবশালী একটি চক্রের কারণে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না।
স্থানীয় সচেতন মহল মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে নির্বিচারে মা ইলিশ নিধন করা হলে ইলিশের প্রজনন ও ভবিষ্যত উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন। তারা বলেছেন, মা ইলিশ রক্ষায় শুধু নদীতে অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; মাছঘাটগুলোতেও নজরদারি বাড়াতে হবে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, তেঁতুলিয়া নদী এবং উল্লেখিত মাছঘাটগুলোতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও উপজেলা মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে দিন-রাত যৌথ অভিযান পরিচালনা করা উচিত।
"মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে নির্বিচারে মা ইলিশ নিধন করা হলে ইলিশের প্রজনন ও ভবিষ্যত উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। এতে দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের উদ্যোগও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বোরহানউদ্দিন উপজেলা, তেঁতুলিয়া নদী, গঙ্গাপুর ইউনিয়ন (জয়া বেড়িবাঁধের মাথা, জয়ার খাল ও নয়নের খাল মাছঘাট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয়রা, এলাকাবাসী, স্থানীয় সচেতন মহল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা (৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!