📌 ভোলা জেলা পরিষদ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২৭টি মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর বলেছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা অনুষ্ঠানকে নিরাপদ ও আনন্দময় করে তোলা হয়েছে
ভোলা জেলা পরিষদ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২৭টি মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীরের হাতে পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ ২৭টি মন্দিরে অনুদান অর্থ গ্রহণ করেছেন। এই সহায়তা দিয়ে জেলা পরিষদ হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসবটিকে নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে কাজ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলা সদর উপজেলার ২৭টি মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠানের জন্য জেলা পরিষদ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
- 📌 জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্যে বাংলার অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করেছেন।
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পিন্টু বেপারী, হিন্দু ধর্মীয় নেতা পিযুষ কান্তি হালদার, বিপ্লব কুমার পাল ও বেনু পাল।
- 📌 জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেছেন, বাঙালি সংস্কৃতির অঙ্গ এই পূজা যেন সবাই মিলে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়।
- 📌 হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ জেলা পরিষদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং বলেছেন, সহায়তা পূজা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার সকালে ভোলা জেলা পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি আনুষ্ঠানিকতা অনুযায়ী, জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর ২৭টি মন্দিরের পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দকে অনুদান অর্থ তুলে দিয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পিন্টু বেপারী, হিন্দু ধর্মীয় নেতা পিযুষ কান্তি হালদার, বিপ্লব কুমার পাল এবং বেনু পাল। জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীরের বক্তব্যে বলেছেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। আমরা চাই, এই উৎসবটি সবাই মিলে শান্তিপূর্ণভাবে ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হয়। বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ এই পূজা। আমাদের বাড়ির দেয়াল ঘেঁষেই হিন্দু প্রতিবেশীরা তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন। আমরা কখনো তাদেরকে বাধা দেইনি এবং কাউকেও বাধা দিতে দেইনি। এবারও আমাদের পক্ষ থেকে সার্বিক মনিটরিং ও সহযোগিতা থাকবে যেন তারা সম্পূর্ণ নিরাপদে পূজা পালন করতে পারেন।”
সনাতন ধর্মের নেতৃবৃন্দ জেলা পরিষদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, এই সময়োপযোগী আর্থিক সহায়তা পূজা ব্যবস্থাপনায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে এবং প্রশাসকের এই ইতিবাচক ভূমিকা তাদের উৎসবের আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
"আমাদের বাড়ির দেয়াল ঘেঁষেই হিন্দু প্রতিবেশী ও মন্দির। তারা আবহমানকাল ধরে স্বাধীনভাবে তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও পূজা-অর্চনা করে আসছে। আমরা কখনো এতে বাধা দেইনি এবং কাউকেও বাধা দিতে দেইনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলা জেলা পরিষদ কার্যালয়, ভোলা সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গোলাম নবী আলমগীর (জেলা পরিষদ প্রশাসক), পিন্টু বেপারী (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা), পিযুষ কান্তি হালদার, বিপ্লব কুমার পাল, বেনু পাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭টি মন্দিরে আর্থিক অনুদান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!