📌 বগুড়ার সাতমাথা এলাকায় ড্রেন নির্মাণ কাজ চলাকালে শ্রমিকরা মাটির নিচ থেকে ৩৩৪টি এসএমজির কার্তুজ উদ্ধার করেছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কার্তুজগুলো জব্দ করে বিধিমোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন
বগুড়া সদর থানার পুলিশ গোপন অবস্থায় পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ৩৩৪টি এসএমজির কার্তুজ উদ্ধার করেছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে শহরের সাতমাথা এলাকায় জিলা স্কুলের সামনে ড্রেন নির্মাণ কাজ চলাকালে শ্রমিকরা মাটির প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট গভীর থেকে কার্তুজগুলো আবিষ্কার করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ড্রেন খননের সময় শ্রমিকরা মাটির নিচ থেকে ৩৩৪টি এসএমজির কার্তুজ উদ্ধার করেন।
- 📌 ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কার্তুজগুলো গণনা করে জব্দ তালিকাভুক্ত করেছে।
- 📌 কার্তুজগুলো কোন সময়ের তা নিশ্চিত করতে পারেননি পুলিশ।
- 📌 কার্তুজগুলো মুক্তিযুদ্ধকালীন নয় বলে জানিয়েছেন বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহিম আলী।
📰 বিস্তারিত
বগুড়া সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে জিলা স্কুল সংলগ্ন এলাকায় পানি নিষ্কাশনের জন্য নতুন ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছিল। সেখানে ড্রেন খোঁড়ার সময় একটি লাল ব্যাগে পরিত্যক্ত অবস্থায় কিছু কার্তুজ পাওয়া যায়। স্থানীয় সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে কার্তুজগুলো গণনা করা হয়। গণনা শেষে ৩৩৪টি এসএমজির কার্তুজ পাওয়া গেছে বলে জানান বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহিম আলী।
উদ্ধার হওয়া কার্তুজগুলো জব্দ তালিকাভুক্ত করে বিধিমোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। কার্তুজগুলো কতদিন আগের বা কোন সময়ের হতে পারে জানতে চাইলে ওসি বলেন, এটা অনুমান করে বলা যাচ্ছে না। কিছু কার্তুজ নষ্ট ও ভেঙে গেছে। তবে কার্তুজগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নয় বলে নিশ্চিত করেছেন ওসি।
"মোবাইল ফোনে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে কার্তুজগুলো গণনা করা হয়। গণনা শেষে ৩৩৪টি এসএমজির কার্তুজ পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়া কার্তুজগুলো জব্দ তালিকাভুক্ত করে বিধিমোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া সদর থানা, সাতমাথা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহিম আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩৪টি কার্তুজ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!