📌 বগুড়ার সোনাতলা রেলস্টেশনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় সাত রেলকর্মী আহত হন। স্থানীয় নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করলেও রেলওয়ের কর্মকর্তারা দাবি করেন, স্থাপনা উচ্ছেদের পর দলটি কর্মীদের মারধর করেছে
বগুড়ার সোনাতলা রেলস্টেশনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার দুপুর ১টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। স্টেশন মাস্টারসহ সাত রেলকর্মী আহত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর যুবদল কর্মীদের বিরুদ্ধে রেলস্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ
- 📌 আহত সাতজন কর্মীর মধ্যে স্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম, সহকারী স্টেশন মাস্টার আব্দুল মাজেদ, বুকিং মাস্টার মাসুম পারভেজ ও উপসহকারী প্রকৌশলী শামিম আহমেদ অন্যতম
- 📌 বুকিং কাউন্টারের কম্পিউটার ভাঙচুর ও কর্মকর্তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ
- 📌 স্থানীয় যুবদল নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করলেও রেলওয়ের কর্মকর্তারা দলটির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন
📰 বিস্তারিত
সোনাতলা স্টেশনের উত্তর পাশে গত দুই দিন ধরে একটি অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছিল বলে জানান স্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম। তিনি মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি লিখিতভাবে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। এরপর বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী আসলাম আলীর নেতৃত্বে কর্মীরা স্থাপনাটি ভেঙে দেন।
এর কিছুক্ষণ পর ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল স্টেশনে ঢুকে স্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলামকে মারধর করে। একই সময় বুকিং কাউন্টারে ঢুকে কম্পিউটার ভাঙচুর করা হয়। রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী শামিম আহমেদ ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয় এবং তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় বলে জানান রবিউল ইসলাম।
স্থানীয় যুবদল নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করেন। সোনাতলা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান বাবু দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। তিনি বলেন, রেলস্টেশনের পাশে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের কাজ চলছিল। তবে রেলওয়ের কর্মীরা সেখানে ঘুষ দাবি করেছিলেন বলে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ ছিলেন।
সোনাতলা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবুও কোনো মারধরের ঘটনা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, তিনি অল্প সময়ের জন্য সেখানে ছিলেন এবং পরে কী হয়েছে তা তাঁর জানা নেই।
অপরদিকে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী আসলাম হোসেন দাবি করেন, সেখানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কোনো কাজ ছিল না। তিনি বলেন, স্থাপনা উচ্ছেদের পর মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দলটি স্টেশনে এসে কর্মীদের মারধর করেছে।
"স্থাপনা উচ্ছেদের পর দলটি স্টেশনে এসে কর্মীদের মারধর করেছে। আমরা বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানিয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সোনাতলা রেলস্টেশন, বগুড়া
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: স্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম, যুবদল নেতা কামরুল হাসান বাবু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন আহত, ৫০ থেকে ৬০ জন হামলাকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!