📌 বগুড়ার শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ চলে গেলে ওয়ার্ডে ফ্যান চালানোর ব্যবস্থা না থাকায় রোগী ও স্বজনদের দুর্ভোগ বাড়ছে। জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি সংকটে তা নিয়মিত চালানো যাচ্ছে না
বগুড়ার শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ চলে গেলে ওয়ার্ডগুলোতে ফ্যান চালানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে গরমে ভোগান্তিতে পড়ছেন ভর্তি রোগী ও তাঁদের স্বজনরা। গত শুক্রবার রাত সাড়ে সাতটা থেকে সাড়ে আটটার মধ্যে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর ওয়ার্ডগুলোতে অসহনীয় গরম বিরাজ করছে। বৈদ্যুতিক পাখা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোগীদের স্বজনরা হাতপাখা ও তালপাখা দিয়ে বাতাস করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্যুৎ চলে গেলে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডগুলোতে ফ্যান চালানোর ব্যবস্থা নেই
- 📌 ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে গরমে দুর্ভোগ বাড়ছে রোগী ও স্বজনদের
- 📌 হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি সংকটে তা নিয়মিত চালানো যাচ্ছে না
- 📌 গত বৃহস্পতিবার থেকে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি আবদুস সামাদ (৫০) বিদ্যুৎ না থাকায় আরও বেশি কষ্ট পাচ্ছেন
📰 বিস্তারিত
শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ চলে গেলে বৈদ্যুতিক পাখা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে গরমে অসহনীয় পরিবেশ সৃষ্টি হয়। গত শুক্রবার রাত সাড়ে সাতটা থেকে সাড়ে আটটার মধ্যে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, রোগীদের স্বজনরা হাতপাখা ও তালপাখা দিয়ে বাতাস করছেন। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে গত শুক্রবার রাত আটটা পর্যন্ত ৫৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত রোগীদের কষ্ট বেশি হয়।
পুরুষ ওয়ার্ডের ৪৪ নম্বর বিছানায় চিকিৎসাধীন আবদুস সামাদ (৫০) গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর গরমে তাঁর শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যায়। স্ত্রী চম্পা বেগম তাঁকে স্বস্তি দিতে একটানা হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে থাকেন। এমনকি তিনি নিজেও ক্লান্ত হয়ে পড়েন।
নার্স নাজনীন আক্তার জানান, বিদ্যুৎ চলে গেলে প্রতিটি ওয়ার্ডে দুটি করে এনার্জি বাল্ব জ্বালানোর ব্যবস্থা রয়েছে। তবে ফ্যান চালানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, জরুরি বিভাগে আইপিএসের মাধ্যমে ফ্যান ও বাতি চালানোর ব্যবস্থা আছে। অপারেশন থিয়েটারের জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে সাধারণত তা জরুরি প্রয়োজনেই চালু করা হয়।
"জেনারেটর থাকলেও এর জ্বালানি কেনার জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। জ্বালানি সরবরাহ করা হলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডগুলোতে ফ্যান চালানোর ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়ার শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুস সামাদ (৫০), চম্পা বেগম, নাজনীন আক্তার, আমিরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ (শয্যা), ৫৬ (রোগী), ৪৪ (বিছানা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!