📌 বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে চার নতুন সদস্য মনোনীত হয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান। দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মনোনয়ন দিয়েছেন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে চারজন নতুন সদস্য মনোনীত করেছে। দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মনোনয়ন দিয়েছেন বলে শনিবার (১৫ আগস্ট) দলটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে চার নতুন সদস্য মনোনীত: অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. আমানউল্লাহ আমান, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ
- 📌 মনোনীত সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান
- 📌 বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের শূন্য পদে এই মনোনয়ন দেন
- 📌 আমানউল্লাহ আমানের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ছাত্ররাজনীতি থেকে, তিনি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা
📰 বিস্তারিত
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে চারজন নতুন সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। দলটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. আমানউল্লাহ আমান, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ স্থায়ী কমিটির সদস্য পদে নিয়োগ পেয়েছেন। দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের শূন্য পদে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
স্থায়ী কমিটির নতুন সদস্য হিসেবে মনোনীত হওয়া আমানউল্লাহ আমানের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল ছাত্ররাজনীতি থেকে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ২৫ জানুয়ারি ১৯৬২ সালে ঢাকার কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন আমানউল্লাহ আমান। তার পিতা মেঘু মিয়া ও মা করিমন নেসা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকালীন সময়ে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৯০-এর দশকে স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদবিরোধী গণআন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ছাত্র ও সাধারণ জনগণকে সংগঠিত করার মধ্য দিয়ে এই আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি ৯৭ হাজার ২৯৯ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তফা মোহসিন মন্টুকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০১ সালে বিএনপি পুনরায় সরকার গঠন করলে তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন। দুই দফায় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে তিনি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
কেরানীগঞ্জে তার রাজনৈতিক প্রভাব দীর্ঘদিনের। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ এবং বিভিন্ন সংকটের সময় পাশে থাকার কারণে এলাকায় তার একটি শক্তিশালী জনভিত্তি তৈরি হয়েছে। চলতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন। তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ভিত্তি ও জনপ্রিয়তার কারণে কেরানীগঞ্জে তার শক্ত অবস্থান রয়েছে।
"বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। দলের প্রতি আমার দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তারেক রহমান, আমানউল্লাহ আমান, অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন সদস্য, ৯৭ হাজার ২৯৯ ভোট, ২৫ জানুয়ারি ১৯৬২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!