📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সচিবালয়ে বিএনপির বৈঠক নিয়ে জামায়াত নেতার তীব্র সমালোচনা: গণতন্ত্রকে স্বৈরতন্ত্র বলছেন কারা?

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
সচিবালয়ে বিএনপির বৈঠক নিয়ে জামায়াত নেতার তীব্র সমালোচনা: গণতন্ত্রকে স্বৈরতন্ত্র বলছেন কারা?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সচিবালয়ে বিএনপির প্রার্থী বাছাই বৈঠকের বিরুদ্ধে জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, নির্বাহী প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক বৈঠক গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক। একইসঙ্গে বিএনপির মহাসচিবের মন্তব্যেরও সমালোচনা করেছেন তিনি

সচিবালয়ের নির্বাহী কার্যালয়ে বিএনপির প্রার্থী বাছাই বৈঠকের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, নির্বাচনী কার্যালয়ে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ বৈঠক কীভাবে সম্ভব।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সচিবালয়ে বিএনপির বৈঠককে ‘গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ
  • 📌 বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক মন্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি
  • 📌 রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণ হিসেবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কথা উল্লেখ করেন আযাদ
  • 📌 সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের দাবি জানিয়ে বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ করেন বিএনপির বিরুদ্ধে
  • 📌 ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদকে ‘খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি

📰 বিস্তারিত

১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্তা ও সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিনের কাছে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘সচিবালয় হলো নির্বাহী প্রতিষ্ঠান। এখানে রাজনৈতিক দলের বৈঠক কীভাবে সম্ভব? শীর্ষ ফোরামের বৈঠক হবে — এ ধরনের ঘটনার ইতিহাস আমাদের জানা নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওনারা গণতন্ত্রকে কীভাবে দেখেন? আমার দলের মতো হলে গণতন্ত্র, না হলে স্বৈরতন্ত্র।’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক মন্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘ওনাদের মহাসচিব বলেছেন সরকারের গত ৫ মাস বা ৬ মাসের কার্যক্রমে অতীত থেকে কোনো পরিবর্তন নাই।’

জামায়াত নেতা বলেন, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকার পরও গণতন্ত্রের সৌন্দর্য রক্ষা ও পুনরুদ্ধারের স্বার্থে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ১১ দলীয় জোট। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র চর্চার নতুন ধারা সৃষ্টি করতে চায় তাঁরা। তিনি বলেন, ‘১৯৯১ সালে একটা সম্ভাবনা ছিল বিএনপির আসন কম থাকাতে। এখানে সেই সম্ভাবনাও নেই। বিএনপি আগেই নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে।’

আযাদ বলেন, ‘সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে এমপিরা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিতে পারেন না। বিএনপি চাইলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য গোপন ব্যালটে ভোটের বিধান চালু করতে পারত।’ তিনি দাবি করেন, জুলাই সনদের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সুযোগ ছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে কর্নেল অলি সাহেব বিপুল ভোটে বিজয়ী হতেন। কারণ সংসদ সদস্যদের কাছে তিনি একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী।’

‘সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হওয়ার পরও বিএনপির একগুঁয়েমির কারণে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব হচ্ছে না।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আগারগাঁও, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হামিদুর রহমান আযাদ, কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দলীয় জোট, ৫ মাস, ৬ মাস, ৭০ অনুচ্ছেদ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖