📌 বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলামের বোন ও সংরক্ষিত এমপি সানজিদা ইসলাম অভিযোগ করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জামায়াত সংশ্লিষ্ট গুমের মামলায় তদন্ত ও বিচার প্রাধান্য পেলেও অন্যান্য দলের গুমের ঘটনায় একই অগ্রগতি দেখা যায়নি। ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অবশ্য জানিয়েছেন, সব গুম পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জামায়াত সংশ্লিষ্ট গুমের মামলায় তদন্ত ও বিচার দ্রুততার সঙ্গে এগোলেও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের গুমের ঘটনায় একই অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএনপি এমপি সানজিদা ইসলাম অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জামায়াত সংশ্লিষ্ট গুমের মামলায় তদন্ত ও বিচার প্রাধান্য পেলেও অন্যান্য দলের গুমের ঘটনায় একই অগ্রগতি দেখা যায়নি
- 📌 ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রায় ১৫০টি গুমের অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে বলে জানান সানজিদা ইসলাম
- 📌 অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর তিন মাসেও তাঁদের দেওয়া অভিযোগের তদন্তে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে দাবি করেন তিনি
- 📌 ট্রাইব্যুনালে চলমান তিনটি জামায়াত সংশ্লিষ্ট গুমের মামলায় মোট ৩০ আসামির বিচার চলছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর
- 📌 ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ইতোমধ্যে ২৫০টি গুম পরিবারকে চিহ্নিত করেছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম
📰 বিস্তারিত
বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলামের বোন ও সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সানজিদা ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জামায়াত সংশ্লিষ্ট গুমের মামলায় তদন্ত ও বিচার দ্রুততার সঙ্গে এগোলেও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের গুমের ঘটনায় একই অগ্রগতি দেখা যায়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন বিচার চেয়েছি, তখন সবার জন্য একসঙ্গে বিচার হওয়ার আশা করেছিলাম। কিন্তু সেখানে নির্বাচন করা হয়েছে।’
‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রায় ১৫০টি গুমের অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে বলে জানান সানজিদা ইসলাম। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর তিন মাসেও তাঁদের দেওয়া অভিযোগের তদন্তে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। তাঁর দাবি, ট্রাইব্যুনাল গঠনের পরও এক বছর তিন মাসেও কোনো অগ্রগতি হয়নি।
ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলমান তিনটি জামায়াত সংশ্লিষ্ট গুমের মামলায় মোট ৩০ আসামির বিচার চলছে। এর মধ্যে একটি মামলায় র্যাবের টিএফআই সেলে জামায়াত নেতা মীর আহমাদ বিন কাসেমসহ ১৭ আসামির বিচার চলছে। আরেকটি মামলায় ডিজিএফআইয়ের জেআইসিতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আযমীসহ ১৩ আসামির বিচার চলছে।
ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গুমের শিকার ২৫০টি পরিবারকে তাঁরা চিহ্নিত করেছেন। তিনি জানান, প্রতিটি পরিবারের সদস্যের জবানবন্দি নেওয়া হচ্ছে এবং অপহরণের স্থানগুলোও চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা দলীয়ভাবে দেখতে চাই না। সব গুম পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।’
"আমরা দলীয়ভাবে দেখতে চাই না। সব গুম পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিএনপি এমপি সানজিদা ইসলাম, চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ১৫০টি গুমের অভিযোগ, ৩০ আসামি, ২৫০টি গুম পরিবার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!