📌 ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতা ঝোলানো ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে এবং জুতা নামিয়ে ফেলা হয়েছে
ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে মঙ্গলবার জুতা ঝোলানো অবস্থায় একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় বাসিন্দারা জুতা নামিয়ে ফেলার পাশাপাশি প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতা ঝোলানো ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে
- 📌 বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামালুজ্জামান লোক পাঠিয়ে জুতা নামিয়ে ফেলেছেন
- 📌 ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন বলেছেন, তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে
- 📌 ২০২৪ সালের আগস্টে ভাস্কর্য দু'বার ভাঙচুরের শিকার হয়েছিল
- 📌 বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ নির্মাণ শুরু হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশদ্বার এলাকায় অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে মঙ্গলবার জুতা ঝোলানো অবস্থায় একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জুতা ঝোলানো অবস্থায় ছবি দেখার পর তারা দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামালুজ্জামান শামীম হোসেন নামের একজন ব্যক্তিকে পাঠিয়ে জুতা নামিয়ে ফেলেছেন। তিনি বলেছেন, "এটা খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সকালে দোকান খুলতে এসে তারা জুতা ঝোলানো অবস্থায় ভাস্কর্য দেখতে পেয়েছেন। কিছুক্ষণ পরেই একজন ব্যক্তি এসে জুতাটি নামিয়ে ফেলেন। তবে কে বা কারা জুতা ঝুলিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধারা বলেছেন, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ঝিনাইদহের গর্ব। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন দিয়েছেন এবং বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস রচনা করেছেন। এর আগেও তাঁর নামে নির্মিত স্থাপনা ভেঙে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধারা দাবি করেছেন, যারা এ ধরনের জঘন্য কাজ করেছে, তাদের দ্রুত তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা উচিত।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন জানান, বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে এবং ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেছেন, "যারাই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।"
২০১৭ সালের ২৬ মার্চ তৎকালীন জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ ও পৌরসভার মেয়র সাইদুল করিম ভাস্কর্যের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। তবে নির্মাণাধীন অবস্থায় থমকে যায় ভাস্কর্যের কাজ। পরে ভাস্কর্য অপেক্ষাকৃত অযত্নে পড়ে যায়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভাস্কর্য দু'বার ভাঙচুরের শিকার হয়েছিল।
"এটা খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।" — বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামালুজ্জামান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝিনাইদহ শহর, ঝিনাইদহ-ঢাকা মহাসড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান, মো. কামালুজ্জামান, শামীম হোসেন, মো. নোমান হোসেন, সরোজ কুমার নাথ, সাইদুল করিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ মার্চ (২০১৭), ৫ আগস্ট (২০২৪)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!