📌 বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) উখিয়ার পালংখালী সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে। জব্দকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ছয় কোটি টাকা। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমার থেকে আসা ছয়জন চোরাকারবারি পালিয়ে যাওয়ার সময় ইয়াবাগুলো ফেলে যায়
ঢাকা: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) উখিয়া উপজেলার পালংখালী সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দুই লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করেছে। অভিযানে জব্দ হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজার মূল্য ছয় কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন বিজিবি সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিজিবির পালংখালী বিওপির টহলদল রাত ১২টা ১০ মিনিটে নিয়মিত টহলের সময় সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে
- 📌 মিয়ানমার থেকে আসা ছয়জন চোরাকারবারি পালিয়ে যাওয়ার সময় ছয়টি পোটলায় ইয়াবা ফেলে যায়
- 📌 বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে দুই লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে
- 📌 উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ছয় কোটি টাকা
- 📌 বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে বিজিবি সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধীনস্থ পালংখালী বিওপির টহলদল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে নিয়মিত টহল পরিচালনাকালে পালংখালী বিওপির টহলদল অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দায়িত্বপূর্ণ ফাড়ির বিলের গুর্জাখাল রুবেলের ঘের নামক স্থানে কতিপয় ব্যক্তির সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে।
টহলদলের সদস্যরা জানান, তারা দেখতে পান মিয়ানমার থেকে ছয়জন ব্যক্তি পোটলা হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে। বিজিবি টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে চোরাকারবারিরা হাতে থাকা পোটলাগুলো ফেলে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ফেলে যাওয়া ছয়টি পোটলার ভেতর থেকে বায়ুরোধী প্যাকেটে মোড়ানো আনুমানিক দুই লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘উদ্ধারকৃত ইয়াবার সঙ্গে জড়িত মাদক সরবরাহকারী ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সীমান্ত দিয়ে মাদকসহ যেকোনো ধরনের অবৈধ পণ্য প্রবেশ রোধে বিজিবির অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।’
‘উদ্ধারকৃত ইয়াবার সঙ্গে জড়িত মাদক সরবরাহকারী ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পালংখালী সীমান্ত, উখিয়া, কক্সবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শরীফুল ইসলাম (বিজিবি জনসংযোগ কর্মকর্তা), লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম (৬৪ বিজিবি অধিনায়ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই লাখ পিস ইয়াবা, ছয় কোটি টাকা মূল্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!