📌 বেনাপোল স্থলবন্দরের ৪১ নম্বর শেডে পণ্য আনলোডের সময় যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিয়া সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আরমানকে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে। কর্মচারীদের প্রতিবাদে পণ্য ছাড়করণ কার্যক্রম চার ঘণ্টা বন্ধ থাকে
বেনাপোল স্থলবন্দরে কাস্টমস কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটে। ৪১ নম্বর শেডে পণ্য আনলোডের সময় যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিয়া সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) আরমানকে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে। কর্মচারীদের প্রতিবাদে পণ্য ছাড়করণ কার্যক্রম চার ঘণ্টা বন্ধ থাকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪১ নম্বর শেডে পণ্য আনলোডের সময় যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিয়া সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আরমানকে লাথি মারেন — দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে লোকজনের সামনে ঘটনা ঘটে
- 📌 কর্মচারীদের প্রতিবাদে পণ্য খালাস ও ছাড়করণ কার্যক্রম চার ঘণ্টা বন্ধ থাকে — বন্দর কার্যক্রম ব্যাহত হয়
- 📌 সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা — ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে চান
- 📌 শরফুদ্দিন মিয়া সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে অস্বীকার করেন — হাউস থেকে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে যান
- 📌 বন্দর ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে — দাপ্তরিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বেনাপোল স্থলবন্দরের ৪১ নম্বর শেডে পণ্য আনলোডের সময় ঘটনা ঘটে। আইআরএম শাখার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) আরমানকে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিয়া লোকজনের সামনে তাকে লাথি মারেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সহকর্মীরা বাধা দিলে পরিস্থিতি বড় আকার ধারণ করতে পারেনি।
ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। তারা পণ্য খালাস ও ছাড়করণ কার্যক্রম বন্ধ করে দেন, যার ফলে প্রায় চার ঘণ্টা বন্দর কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং কাজে ফিরে গেলে পণ্য ছাড়করণ কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়।
ঘটনাটি শুক্রবার দিনভর কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বন্দরসংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন ঘটনার প্রকৃত কারণ ও অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে।
সাংবাদিকরা সরাসরি যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিয়ার সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি হাউস থেকে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে যান এবং পরে এ নিয়ে কথা বলবেন বলে জানান। কর্মকর্তাদের চাপে ভুক্তভোগী সরাসরি গণমাধ্যমকে কিছু বলতে পারেননি। তবে বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে শরফুদ্দিন মিয়ার আচরণ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তারা দাপ্তরিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
"বেনাপোল স্থলবন্দর দেশের অন্যতম প্রধান বন্দর। এখানে কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দাপ্তরিক কোনো সিদ্ধান্ত বা দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা বিধি অনুযায়ী তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেনাপোল স্থলবন্দর, ৪১ নম্বর শেড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিয়া, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) আরমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ (শেড নম্বর), ৪ (ঘণ্টা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!