📌 ঢাকার বেগুনবাড়ী খালে নির্মিত ৪২ মিটার দীর্ঘ পদচারী সেতু আজ উদ্বোধন হবে। ১৩ কোটি টাকায় নির্মিত এই সেতু পথচারীদের চলাচল সহজ করবে, কিন্তু ট্রাফিক বিশ্লেষণে যানজট বাড়ার আশঙ্কা উঠেছে। ডিএনসিসি আরও দুটি সেতু নির্মাণ করছে, যার মধ্যে একটি ৮০০ মিটার দূরে এবং অন্যটি ৬০০ মিটার দূরে
ঢাকার বেগুনবাড়ী খালে নির্মিত একটি পদচারী সেতু আজ বিকেলে উদ্বোধন করা হবে। এই সেতুটি নির্মাণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ১৩ কোটি ২৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ব্যয় করেছে। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪২ মিটার এবং প্রস্থ ৩ দশমিক ৮০ মিটার। উদ্বোধন করবেন ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। সেতুটি নির্মাণে স্টিলের কাঠামো ব্যবহার করা হয়েছে এবং কংক্রিটের স্ল্যাব ও টাইলস দিয়ে হাঁটার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার বেগুনবাড়ী খালে নির্মিত পদচারী সেতু আজ বিকেলে উদ্বোধন হবে, সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪২ মিটার এবং প্রস্থ ৩.৮০ মিটার
- 📌 সেতু নির্মাণে ডিএনসিসির ব্যয় হয়েছে ১৩ কোটি ২৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকা, নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে স্টিলের কাঠামো ও কংক্রিটের স্ল্যাব
- 📌 ডিএনসিসি আরও দুটি সেতু নির্মাণ করছে: একটি আইডিয়াল স্কুলের পাশে ৮০০ মিটার দূরে (দৈর্ঘ্য ৩৮ মিটার, প্রস্থ ১৫.৪০ মিটার) এবং অন্যটি মেরাদিয়া বাজারের কাছে ৬০০ মিটার দূরে (দৈর্ঘ্য ৪৯ মিটার, প্রস্থ ১৫.৪০ মিটার)
- 📌 তিনটি সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হবে ৮৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা, কাজ বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস
- 📌 ট্রাফিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সেতু চালু হলে বনশ্রী সড়কে যানজট বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমআইএসটি সেতু নির্মাণের পাশাপাশি কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সুপারিশ করেছে
📰 বিস্তারিত
বেগুনবাড়ী খালের ওপর নির্মিত পদচারী সেতুটি বনশ্রী ও আফতাবনগরের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া রামপুরা খালের ওপর নির্মিত হয়েছে। এই এলাকার বাসিন্দারা এতদিন খাল পার করতে বাঁশের সাঁকো বা নৌকার ওপর নির্ভর করতে হতো। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতিদিন এই পথে চলাচল করতে হয়। সেতুটি চালু হলে তাদের খাল পারাপারের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলম জানান, পদচারী সেতুটির নির্মাণকাজ গত মাসেই শেষ হয়েছে। তবে প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান দেশের বাইরে থাকায় তখন উদ্বোধন করা হয়নি। চিকিৎসা শেষে তিনি দেশে ফিরেছেন। আজ বিকেলে সেতুটি উদ্বোধন করে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
বেগুনবাড়ী খালের ওপর তিনটি সেতু নির্মাণের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো প্রগতি সরণিতে মেট্রোরেল লাইন-১ নির্মাণের সময় বিকল্প সড়ক তৈরি করা। ডিএনসিসি সূত্র বলছে, বসুন্ধরা-স্বদেশ প্রপার্টি-আফতাবনগর হয়ে বিকল্প পথে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। তবে ট্রাফিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় যানবাহনের গড় বিলম্ব বা গড় যাত্রার সময় কমার সম্ভাবনা নেই। বরং সব কটি বিকল্পেই এই দুটি সূচকের অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
"সেতুগুলোর সঙ্গে সমন্বিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সড়কের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর মোড় ব্যবস্থাপনার মতো পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছে এমআইএসটি। শুধু সেতু নির্মাণ করলেই কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেগুনবাড়ী খাল, ঢাকা (বনশ্রী ও আফতাবনগর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুল ইসলাম খান (ডিএনসিসি প্রশাসক), খন্দকার মাহবুব আলম (ডিএনসিসি অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ কোটি ২৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকা (সেতু নির্মাণ ব্যয়), ৪২ মিটার (পদচারী সেতুর দৈর্ঘ্য), ৩.৮০ মিটার (প্রস্থ), ৮০০ মিটার ও ৬০০ মিটার (অন্য দুটি সেতুর দূরত্ব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!