📌 ৪৫তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডারে এএসপি পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ফাহিম ফয়সালের নাম গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। মেধা তালিকায় ৪০তম স্থান অর্জনকারী ফাহিমের পরিবার ও সমাজসচেতন ব্যক্তিবর্গের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। বগুড়া জেলার বাসিন্দা ফাহিমের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় তিনি সরকারের কাছে সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন
৪৫তম বিসিএস পরীক্ষায় পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ফাহিম ফয়সালের নাম চূড়ান্ত নিয়োগের গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। মেধা তালিকায় ৪০তম স্থান অর্জনকারী এই তরুণ বগুড়া জেলার বাসিন্দা। তার পরিবার ও সমাজসচেতন ব্যক্তিবর্গের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪৫তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডারে এএসপি পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ফাহিম ফয়সালের নাম গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়নি
- 📌 মেধা তালিকায় ৪০তম স্থান অর্জনকারী ফাহিমের চার বছরের পরিশ্রমের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে বাধা
- 📌 জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গেজেটে মোট ১০৪ জনের মধ্যে ৫৬ জনের নাম অনুপস্থিত
- 📌 ফাহিমের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় তিনি সরকারের কাছে সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন
- 📌 ফাহিমের বাবা মো. খাইরুল বাশার আইনজীবী এবং মা শাহানাজ বেগম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা
📰 বিস্তারিত
বগুড়া জেলার কাটনারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ফাহিম ফয়সাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। তিনি বর্তমানে বগুড়া শহরের চাঁদনী বাজারে জনতা ব্যাংকে কর্মরত। ফাহিম ২০২২ সালে প্রথম বিসিএস হিসেবে ৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি পান এবং তার প্রথম পছন্দ ছিল পররাষ্ট্র ক্যাডার, দ্বিতীয় প্রশাসন এবং তৃতীয় পছন্দ ছিল পুলিশ ক্যাডার। ২০২৩ সালে প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষা দেওয়ার পর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভাইভা প্রদান করেন। একই বছরের নভেম্বর মাসে ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হলে তিনি পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।
১৪ অক্টোবর রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত নিয়োগের গেজেট প্রকাশ করে। কিন্তু সেই গেজেটে ফাহিমের নাম অনুপস্থিত ছিল। গেজেটে মোট ১০৪ জনের মধ্যে ৫৬ জনের নাম অনুপস্থিত ছিল। ফাহিমের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় তিনি সরকারের কাছে সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই, আমি কখনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। কোনো সুপারিশ বা তদবির ছাড়া কেবল নিজের মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে এই স্থান অর্জন করেছিলাম।”
ফাহিমের বাবা মো. খাইরুল বাশার আইনজীবী এবং মা শাহানাজ বেগম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। ফাহিমের ছোট ভাই নাফিস ফয়সাল বর্তমানে সরকারি আজিজুল হক কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী। ফাহিমের পরিবার ও সমাজসচেতন ব্যক্তিবর্গের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। ফাহিমের বাবা-মা ও নিকটজনেরা হতভম্ব ও চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন।
"আমার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই, আমি কখনো কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। কোনো সুপারিশ বা তদবির ছাড়া কেবল নিজের মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে এই স্থান অর্জন করেছিলাম। আমার অপরাধটা কোথায়, তা স্পষ্ট করে জানানো উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া জেলা, কাটনারপাড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাহিম ফয়সাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০তম (মেধা তালিকা), ৫৬ জন (গেজেট থেকে বাদ পড়া)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!